🕓 সংবাদ শিরোনাম

পটুয়াখালীতে গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তারটাঙ্গাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় ছাত্রীসহ নিহত-২আমিরাতের সর্বোচ্চ পর্বত জেবেল জাইসহিলি ইমিগ্রেশন দিয়ে ফিরতে পারবেন ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিরানাম্বার ব্লাকলিষ্টে দেওয়ায় যুবকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান!সৌদিআরবকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে আশাবাদী’দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছেএকটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুল

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে দু’মাসে ১৬ হাজার টাকা দেয়ার প্রস্তাব সিপিডির

cpd
❏ সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২০ অর্থনীতি

অর্থনীতি ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে দুই মাসে ১৬ হাজার টাকা দেয়ার প্রস্তাব করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এজন্য ২৬ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা থেকে ২৯ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা লাগবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (১৩ মার্চ) ‘কোভিড-১৯-সরকার গৃহীত পদক্ষেপসমূহের কার্যকারিতা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও আয় নিরাপত্তা : সিপিডির প্রাথমিক বিশ্লেষণ ও প্রস্তাব’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরার সময় প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ ফেলো তৌফিক ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় অংশই বর্তমান সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে নেই। বয়স্কদের ৬৬ শতাংশ, শিশুদের ৭০ দশমিক ৬০ শতাংশ, নতুন মা হওয়া নারীদের ৭৯ দশমিক ১০ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের ৮১ দশমিক ৫০ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে নেই।’

সিপিডি বলছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অনেকের কাছেই এখনও সহায়তা পৌঁছানো যায়নি। সরকার করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যা ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যকর হবে। সিপিডি, ব্যাংকিং খাতের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান, ব্যাংকিং খাতে সংস্কার আনার আহ্বান জানান। বলেন, এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যাদের সাথে ব্যাংকের যোগাযোগ নেই। সেসব প্রতিষ্ঠানের ঘুরে দাঁড়াতে প্রণোদনা প্রয়োজন। সে বিষয়টি বিবেচনায় আনার তাগিদ দিয়েছে, সিপিডি।

সংস্থাটি বলছে, প্রণোদনার সর্বোত্তম ব্যবহার জন্যে একটি সমন্বিত নীতিমালা দরকার। অগ্রাধিকার নির্ধারণের পাশাপাশি সমন্বয়ও প্রয়োজন।