• আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১৩ মে, ২০২১ ৷

অবশেষে মোরেলগঞ্জের ৪শ’বাড়িতে লাল পতাকা

potak
❏ বুধবার, এপ্রিল ১৫, ২০২০ খুলনা

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, স্টাফ রিপোর্টার: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে লক ডাউন উপেক্ষা করে ঢাকা নারায়নগঞ্জ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ৪ শ’ লোকের বাড়িতে নতুন করে আবারো লাল পতাকা উঠানো হয়েছে। রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। প্রতিটি বাড়ি নজরদারিতে রয়েছে গ্রাম পুলিশ। এসব বাড়িতে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যাচ্ছে মেডিকেল টিম।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টানা ২৫ দিনের লক ডাউনে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও নানাভাবে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন নিজ বাড়িতে আসছে। গত এক সপ্তাহে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন সহ পৌরসভায় বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। আর এ কারণে প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটিকে অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তি ও বাড়ি নজরদারিতে রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।

এ পর্যন্ত তেলিগাতি ইউনিয়নে ৩০জন, পঞ্চকরণ ৩০, জিউধরা ৩৭, খাউলিয়া ২৫, পুটিখালী ১৬, বলইবুনিয়া, ৭০, রামচন্দ্রপুরে ২৯, বহরবুনিয়া ১৯, হোগলাবুনিয়া ২৩, দৈবজ্ঞহাটী ২৯, নিশানবাড়িয়া ১৩, হোগলাপাশা ৪, বনগ্রাম ২৩, বারইখালী ১৫, চিংড়াখালী ২৫, সদর ইউনিয়ন ১১ ও পৌরসভায়সহ সর্বমোট ৪ শতাধিক মানুষ স্পর্শকাতর এলাকা থেকে তারা গভীর রাতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গ্রামে তারা এখন অবস্থান করেছে বলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন।

চিংড়াখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলী আক্কাস বুলু জানান, তার ইউনিয়নে বহিরাগত অনেকে পরিবার পরিজনের সুরক্ষায় স্ব-উদ্যোগে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে রাজি হয়েছে। তাই তাদের একটি সাইক্লোন কাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে সার্বক্ষনিক পাহারায় রয়েছে গ্রাম পুলিশ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, মোরেলগঞ্জে অনুপ্রবেশকারিদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মেডিকেল টিম ওই বাড়িগুলোতে সার্বক্ষনিক নজর রাখছে।পরিবারের লোকজনকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছে। এদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। হাসপাতালে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আইসোলেশন বিভাগ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামরুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ২৯০ জনের তালিকা করা হয়েছে। প্রতিটি বাড়িতে টানানো হয়েছে লাল পতাকা। চিহিৃত বাড়িগুলোতে প্রবেশ ও বাহির নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ১৪ দিনের হোমকোয়ারেন্টে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।