• আজ রবিবার, ১৭ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ১ আগস্ট, ২০২১ ৷

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়লো


❏ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২০ অর্থনীতি

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যেই আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোতে লেনদেনের সময় আধা ঘণ্টা বাড়ছে।

সীমিত আকারের ব্যাংকিং সেবার আওতায় যেসব ব্যাংক শাখা খোলা রয়েছে, সেগুলোতে আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত। তবে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য ব্যাংক বেলা ২টা পর্যন্তই খোলা থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের নতুন এই সময়সূচি ঠিক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

লকডাউনের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন সারতে সমস্যা হওয়ায় তার সমাধানের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

কয়েকজন ব্যাংকার নভেলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ৯ এপ্রিল ব্যাংক লেনদেনের সময় কমিয়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত করা হয়।

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে সব ধরনের অফিস-আদালত এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তবে ছুটির মধ্যেও জরুরি সেবাগুলো চালু রাখার অংশ হিসেবে সীমিত আকারে ব্যাংকের লেনদেন চালু রাখা হয়েছে।

প্রথম দফায় সকাল ১০টা থেকে দুপর ১২টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেনের সময় ঠিক করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তখন ব্যাংক খোলা রাখা হচ্ছিল বেলা দেড়টা পর্যন্ত।

এরপর ২ এপ্রিল এক সার্কুলারে ব্যাংক লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত করা হয়। আর ব্যাংক খোলা রাখতে বলা হয় বেলা ৩টা পর্যন্ত।

৯ এপ্রিল লেনদেনের সময় আবার কমিয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত করা হয়। আর আর ব্যাংক খোলা রাখতে বলা হয় বেলা ২টা পর্যন্ত। ওই সময়সূচি কার্যকর হয় ১২ এপ্রিল থেকে।

বুধবারের সার্কুলারে আরো কিছু নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অন্যলাইন সুবিধা সম্বলিত শাখাগুলো গ্রাহকদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করে দূরত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখবে। তবে অনলাইন সুবিধা বহির্ভূত সব শাখা খোলা রাখতে হবে।

জেলা শহরে প্রত্যেক ব্যাংকের অন্তত একটি শাখা খোলা রাখতে হবে।

শ্রমঘন শিল্প এলাকায় সব শাখা খোলা রাখতে হবে।

যেসব এলাকায় সরকার বা স্থানীয় প্রশাসন লকডাউন ঘোষণা করেছে সে সব এলাকায় সকল ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকবে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যাংকে উপস্থিত সকলের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সব ব্যাংকের এটিএম বুথ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে এবং পর্যাপ্ত নোট সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন