🕓 সংবাদ শিরোনাম

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃত্যুচট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৫, মৃত্যু ৪সুনামগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও ছেলেসহ ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুসৌদি আসতে দিতে হবে করোনা ভ্যাকসিন, নয়তো থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনেএখনো ঈদ করতে বাড়ী আসছে দক্ষিনঅঞ্চলের ২১জেলার হাজার হাজার মানুষকরোনার হটস্পট কেরানীগঞ্জ, ঈদে ছাপ নেই স্বাস্থ্য বিধিরবস্তার দোকানে মাদকের ব্যবসা, দুই জন আটকডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তারভারত থেকে চট্টগ্রামে আসা ৪ জনের করোনা শনাক্ত ত্রিশালে পণ্য বিপনন মনিটরিং কমিটির মতবিনিময় সভা

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

দিনাজপুরে রেশন কার্ড দেয়ার নামে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ

dina
❏ সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২০ রংপুর

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুরের বিরলে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় রেশন কার্ড দেয়ার নামে এক অওয়ামীলীগ নেতা ও এক পৌর মহিলা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় দোকানদারকে এলাপাথারি মারধর এবং দোকানঘর ভাংচুরও করেছে তারা।

এ বিষয়ে বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক বিষয়টি বিরল থানার থানার কাছে হস্তান্তর করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু,তারপরও বহাল তবিয়তে থেকে ওই আওয়ামীলীগ নেতা তার বিরুদ্ধেঅভিযোগ তুলে নেয়ার জন্য নানা রকম হুমকি প্রদান করছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে দুস্থদের মাঝে রেশন কার্ডের জন্য জন প্রতি ১৪০ থেকে ২’শ করে টাকা নিয়েছে,বিরল পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম ও পৌরসভার ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর নাছরিন বেগম।স্থানীয় সোহেল, শুকুর আলী, সুফিয়া বেগম, সাবিনা ও জুয়েলসহ অনেকেই এই টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করলে সহিদুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেলকে মারপিট করে ও দোকান ভাঙ্চুর করে মালামাল নষ্ট কওে ফেলে। এ সময় আব্দুল খালেক নামের অপর এক ব্যক্তিকেও বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। এ অবস্থায় পৌরকাউন্সিলর ও ওয়ার্ড সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সোহেল রানা রোববার বিকেলে বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতরা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিনাত রহমান অভিযোগ এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, থানার অফিসার ইনচার্জকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব জানান, একজন অফিসারকে বিষয়টি তদন্তের জন্য দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর নাছরিন বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যাদেরকে ত্রাণ দিতে পারিনি এরকম কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কুৎসা রটাচ্ছেন। যা আদৌ সত্য নয়। অন্যদিকে সহিদুল ইসলাম জানান, তালিকায় নাম না থাকা ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ তুলছে।