🕓 সংবাদ শিরোনাম

খেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

দেশে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের অর্ধেকের বয়স ষাটের নিচে


❏ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- দেশের বিভিন্ন জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গতকালও রেকর্ড ছাড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৯২ জন। মারা গেছে ১০ জন। এই নিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ১০১ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া এসব ব্যক্তিদের প্রায় অর্ধেকই (৪৯.১৯%) ৬০ বছরের কম বয়সী। আর ৫০ দশমিক ৭৯ শতাংশ ষাটোর্ধ্ব। সংখ্যায় কম হলেও তরুণদের মৃত্যুর ঘটনাও আছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও চীনের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সেসব দেশে ষাটোর্ধ্ব মানুষ বেশি মারা যাচ্ছেন। তবে ওই সব দেশে মৃত ব্যক্তিদের ৮০ শতাংশের বেশি ষাটোর্ধ্ব। ওই সব দেশের চেয়ে বাংলাদেশে ৬০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের মৃত্যুর হার এখন পর্যন্ত বেশি। স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির ফারাকের কারণে এই তারতম্য হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্তের খবর প্রকাশ পায় গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায়, ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয়। গতকাল সোমবার পর্যন্ত দেশে মোট ১০১ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৪৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মৃত ব্যক্তিদের সবার বয়সের তথ্য প্রকাশ করেনি। গতকাল পর্যন্ত মারা যাওয়া ৬৩ জনের বয়সের তথ্য পাওয়া গেছে।

এই তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জনের বয়স ৬১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে। অর্থাৎ ৫০ দশমিক ৭৯ শতাংশ ষাটোর্ধ্ব। ১৭ জনের (২৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ) বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। ১১ শতাংশ বা ৭ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী আছেন ৬ জন (৯ দশমিক ৫২ শতাংশ)। একজনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের একটি বড় অংশের কোভিড-১৯-এর পাশাপাশি অন্য রোগ ছিল।

এদিকে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্যানুযায়ী, গত রোববার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৫৩ জেলায় প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এখনও ১১টি জেলা সংক্রমণের বাইরে রয়েছে। তবে সোমবারের তথ্য রাত ৯টা পর্যন্ত হালনাগাদ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। তথ্য হালনাগাদ হলে আরও কয়টি জেলায় নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়েছে তা জানা যাবে। এদিকে ৫৬ জেলা লকডাউন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ জেলা পুরোপুরি ও ১৭ জেলা আংশিক লকডাউন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, করোনা সংক্রমণের শুরুতে রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে সর্বোচ্চ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। এই দুই অঞ্চলে কয়েকটি ক্লাস্টারও পাওয়া যায়। আইইডিসিআর শুরু থেকেই বলে আসছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া ব্যক্তিদের মাধ্যমে ভাইরাসটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে গাজীপুর, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ- এই তিন জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই তিন জেলাকে সংক্রমণের নতুন রুট হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন করে আক্রান্তদের ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ গাজীপুরে। এরপর কিশোরগঞ্জে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং নরসিংদীতে ৬ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রবিউল