🕓 সংবাদ শিরোনাম

নাম্বার ব্লাকলিষ্টে দেওয়ায় যুবকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান!সৌদিআরবকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে আশাবাদী’দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছেএকটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুলআগুন নিয়ে খেলবেন না: নেতানিয়াহুকে হামাসপ্রধানইসরাইলের চেলসিকে হারিয়ে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন ‘বাংলাদেশের’হামজাপ্রবল বেগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টিকটিকি’রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা নিহত

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন করোনা আক্রান্ত সেই অখিল


❏ বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২০ ঢাকা

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :: টাঙ্গাইল জেলায় সর্ব প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের বৈরাগী ভাওড়া গ্রামের মৃত হরিদাস সরকারের ছেলে অখিল চন্দ্র সরকার টানা ১৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সম্পূর্ণভাবে সুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাকসুদা খানম।

সুস্থ্য ঐ ব্যক্তি আগামীকাল (২৩ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে ফিরবেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

করোনায় সুস্থ্য হওয়া অখিল চন্দ্র সরকারের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ মানব সেবায় নিয়োজিত আছি। মানুষের দোয়া-আশির্বাদের কারণেই আজ আমি সুস্থ্য হতে পেরেছি। আমি অসুস্থ্য অবস্থায়ও ফোনের মাধ্যমে রোগীদের সেবা ও পরামর্শ দিয়ে গেছি। এটা আমার কর্তব্য বলে মনে করি। এছাড়াও তিনি দেশ বিদেশে থাকা সকল মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাকসুদা খানম জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় পর পর দুইবার করোনা টেস্টে মির্জাপুরের এই ব্যক্তির নেগেটিভ আসে। অর্থাৎ তিনি করোনা মুক্ত বলে নিশ্চিত করেন উক্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবুও সতর্কতার সহিত তাকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করারও আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল করোনা টেস্টে পজিটিভ আসে টাঙ্গাইল জেলায় প্রথম মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের বৈরাগী ভাওড়া গ্রামের বাসিন্দা অখিল চন্দ্র সরকারের। খবর পেয়ে ঐ রাতেই তাকে উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানা কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার জন্য এ্যাম্বুলেন্স যোগে রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউন এলাকায় অবস্থিত কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে প্রেরণ করেন। টানা ১৬ দিন পর বুধবার (২২ এপ্রিল) সে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ্য হন বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, মির্জাপুর।