🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত বিপদজনক ভবিষ্যতের পূর্ভাবাস’কুতুপালং শিবিরে রোহিঙ্গা নেতার বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধারহাজারো যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি শাহপরাণ, ঘাট ম্যানেজারের অস্বীকার‘একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়?’কক্সবাজারে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতারঝালকাঠির কলেজ ছাত্রী সুমাইয়া হত্যার বিচার দেখে মরতে চায় বাবা!সৌদিতে বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসীদের করোনা ভেকসিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছেকরোনায় বেসামাল ভারত, একদিনে আরও ৪০৯২ জনের মৃত্যুচীনা রকেটের সেই ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লো মালদ্বীপের কাছেঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে চলছে দূরপাল্লার বাস

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, বিকাল ৪:১৫

‘বঙ্গবন্ধুর আরেক খুনি মোসলেহউদ্দিনকে হস্তান্তর করল ভারত’- এনডিটিভি

❏ বুধবার, এপ্রিল ২২, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে বাংলাদেশের হাতে হস্তান্তর করেছে ভারত।

সোমবার সন্ধ্যায় অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে একটি সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, মোসলেহউদ্দিনকে সোমবার সন্ধ্যায় অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাকে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন মতে, গত ৩০ দিনের মধ্যে ভারতীয় গোয়েন্দারা দ্বিতীয়বারের মতো বঙ্গবন্ধুর আরও খুনিকে হস্তান্তর করল। গত ফেব্রুয়ারি ভারত হত্যা মামলার ফেরারি আসামি আব্দুল মাজেদকে হস্তান্তর করে।

এতে আরও বলা হয়, দ্বিতীয়জন মোসলেহউদ্দিনকে গোপনে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। এই দুই হত্যাকারী গত ২০ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

ইস্টার্নলিঙ্কস ডটকম নামের একটি নিউজ পোর্টাল এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে জানায়, আবদুল মাজেদ ফাঁসির আগে মোসলেহ উদ্দিনের অবস্থান প্রকাশ করে গেছেন।

এনডিটিভি বলছে, মোসলেহউদ্দিনকে ধরতে গোয়েন্দা সংস্থা অত্যন্ত গোপনীয় অভিযান চালায়। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও এ ব্যাপারে জানানো হয়নি। এর আগে সন্দেহভাজনদের ছবি এবং ভিডিওসহ অভিযান সম্পর্কিত প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশিত হলে সেখানে বেশ বিভ্রান্তি দেখা গিয়েছিল। কারণ কিছু সূত্র দাবি করেছিল, ছবিটির ওই ব্যক্তি (মোসলেহউদ্দিন) কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছিলেন।

রিপোর্ট বলছে, খুনি মোসলেহউদ্দিন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে অত্যন্ত সংবেদনশীল চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তারপর তাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মোসলেহউদ্দিনের গ্রেফতারের বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।