করোনা শনাক্তকরণ কীট তৈরিতে সফলতা পেলেন নোবিপ্রবির দুই শিক্ষক

১২:১৩ পূর্বাহ্ন | রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
nstu

এস আহমেদ ফাহিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের দ্রুত পরীক্ষার কীট তৈরীর মূল উপাদান গোল্ড ন্যানোপার্টিকেল। ন্যানোপার্টিকেলটি আকরিক থেকে আলাদা করে পরবর্তীতে এটির সাথে এন্টিবডি যুক্ত করে করোনা শনাক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা শনাক্তের কিট তৈরিতে সফলতা পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ।

প্রথমে কিট তৈরির মূল উপাদান গোল্ড ন্যানো পার্টিকেলটি আকরিক থেকে আলাদা করার কাজটি করেন এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর এবং এই কাজে সহযোগী হিসেবে ছিলেন তার শিক্ষার্থী সাঈদুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষণাগারে ন্যানো পার্টিকেল আলাদা করার কাজটি করা হয়।

পরবর্তীতে গোল্ড ন্যানো পার্টিকেলটিকে এন্টিবডির সাথে যুক্ত করে করোনা শনাক্তের পরীক্ষা করেন অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ ও এতে সহযোগী হিসেবে ছিলেন তার শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগারে এই কাজটি করা হয়।এই পার্টিকেল এন্টিবডির সাথে দেওয়া হলে এক ধরণের বর্ণ ধারন করে যা থেকে করোনা আছে কিনা সনাক্তকরণ করা যাবে।

এছাড়া, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গবেষক দলের ড. বিজন কুমার শীল এর সাথে প্রথম থেকেই কাজ করে যাচ্ছেন ড. ফিরোজ আহমেদ।

এ বিষয়ে ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, করোনা শনাক্তকরণে মূল উপাদানটি হচ্ছে গোল্ড ন্যানো পার্টিকেল। যেটির মাধ্যমে খুব সহজে করোনা সনাক্ত করা যাবে। এটির মাধ্যমে করোনা পরীক্ষা করা হলে সঠিক তথ্য দিবে বলে তিনি জানান।

ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন, আমি প্রথম থেকেই ড. বিজন কুমার শীল এর সাথে কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান গবেষণাগারে গোল্ড ন্যানো পার্টিকেল নিয়ে কাজ করেছি। যেটি খুব সহজেই করোনা শনাক্ত করবে।

আজ ২৫ এপ্রিল (শনিবার) ধানমন্ডিস্থ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই নমুনা কিট হস্তান্তর প্রক্রিয়া হয়।

উল্লেখ্য গত , ১৭ই মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের পরীক্ষার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় কিট উৎপাদনের কথা জানায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ১৯ মার্চ কিট উৎপাদনের সরকারি অনুমোদন পায় প্রতিষ্ঠানটি।