সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাত্র ৭ দিনেই ভেন্টিলেটর উৎপাদন করল মিনিস্টার

১:২৭ অপরাহ্ন | রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২০ সুখবর প্রতিদিন

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: মাত্র সাত দিনেই দেশীয় প্রকৌশলীরা তৈরি করেছেন সেমি অটো ভেন্টিলেটর। মিনিস্টার হাইটেক পার্ক বলছে, মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় অত্যাবশ্যকীয় এ যন্ত্রটি সপ্তাহে ১০০ পিস উৎপাদন করার সক্ষমতা রয়েছে তাদের।

সংকটের এ সময়ে এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক ভাবেই দেখছে সরকার। পাশাপাশি মার্কিন প্রতিষ্ঠান মেডট্রনিকের সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে আইসিটি মন্ত্রণালয়।

দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সমান্তরালে প্রকট হচ্ছে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস যন্ত্র ভেন্টিলেটরের সংকটও।

করোনায় মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিকিৎসকরা বরাবরই জোর দিচ্ছেন ভেন্টিলেটর আমদানি আর উৎপাদনে। সেখানেই এবার সুসংবাদ দিল দেশীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান মিনিস্টার গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম ১০০ পিস ভেন্টিলেটর তৈরি সম্ভব, যার দাম থাকবে এক লাখ টাকার নিচে।

মিনিস্টার হাইটেক পার্ক ইলেকট্রনিকের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক খান বলেন, ভেন্টিলেটরটির নাম রাখা হয়েছে ‘সেভ লাইফ মিনিস্টার টোয়েন্টি-টোয়েন্টি’। ৭৫ থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে এটি দেয়া সম্ভব।

প্রাথমিকভাবে উৎপাদিত ভেন্টিলেটরের ১০ শতাংশ ক্রয় করে বিভিন্ন হাসপাতালে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এফবিসিসিআই। এ উদ্যোগের প্রশংসা করছে আইসিটি মন্ত্রণালয়ও।

এফবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট মুনতাকিম আশরাফ বলেন, এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যাওয়ার পরপরই প্রথম ১০০ পিস প্রোডাকশন করে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করব।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, মাইওয়ান ইতোমধ্যে তাদের নিজেদের একটা ভেন্টিলেটর তৈরি করেছে। সেটিও আমরা ক্লিনিক্যাল টেস্টের জন্য দিচ্ছি এবং মেডট্রনিকের যে ডিজাইন সেটাকে অনুসরণ করেও আমাদের বেশ অগ্রগতি হয়েছে।

মেডট্রনিকের নকশায় এ মাসেই নিজেদের তৈরি ভেন্টিলেটর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে দেশীয় আরেক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনও।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকরী সমন্বয়ের মাধ্যমে যেকোনো দুর্যোগ সহজভাবে মোকাবিলা করতে পারে রাষ্ট্রও। করোনায় আক্রান্ত রোগীর অতি প্রয়োজনীয় ভেন্টিলেটর মেশিন তৈরির মাধ্যমে যেন তারই প্রমাণ দিচ্ছে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতও।