ঝুঁকি নিয়েই কাজে যোগ দিয়েছে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক

১২:২৯ অপরাহ্ন | সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২০ ফিচার

মোঃমনির মন্ডল, নিজস্ব প্রতিবেক, সাভা- করোনা আতঙ্ক ও পরিবহন সংকটের মধ্যেও সাভারে অন্তত ১৩০টি গার্মেন্টস কারখানায় শ্রমিকরা কাজে এসেছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে এতে করে ছড়িয়ে পড়তে পারে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস। তবুও কারখানা খুলে দেয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই শ্রমিকরা যোগ দিয়েছেন কাজে।

করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ একমাস বন্ধ থাকার পর গতকাল রবিবার সাভার ও আশুলিয়ার বেশ কিছু গার্মেন্টস খুলে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে কারখানায় প্রবেশ করে উৎপাদন শুরু করেছে।

শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা দাবি করেন, করোনা ভাইরাসের মধ্যে গার্মেন্টস কারখানা খুলে দেওয়ায় সকলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এই আশঙ্কা থেকেই তারা কারখানায় যাওয়া শুরু করেছেন।

এদিকে মালিকপক্ষের দাবি নিরাপদ দুরত্ব নিশ্চিত করেই তারা কারখানা খুলে দিয়েছেন।

শিল্প পুলিশ জানায়, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে ১৮’শ গামের্ন্টসের মধ্যে ১৩০টি গার্মেন্টস রোববার খোলা খোলা ছিল। তবে শ্রমিক উপস্থিতি ছিল কম।

ঢাকা ইপিজেডসহ সাভার,আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে ১৩০টি গার্মেন্টসে সকাল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে কারখানায় প্রবেশ করে উৎপাদন শুরু করেছে। আবার অধিকাংশ গামের্ন্টস এখনো রয়েছে বন্ধ। এ সমস্ত কারখানার কিছু শ্রমিকরা এসে গেটে তালা ও বন্ধের নোটিশ দেখে চলে গেছে।

এ বিষয়ে শিল্প পুলিশের এসপি সানা শামিমুর রহমান বলেন, ১৮’শ শিল্প কারখানায় প্রায় ৮ লাখ লোক কাজ করে আসছে। পিপিই তৈরীসহ জরুরি শিপমেন্ট থাকায় নামে ১৩০টি কারখানা ছাড়া বাকি সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে ।

এদিকে ঢাকা ইপিজেডের বেপজার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোহাম্মদ আব্দুল সোবহান বলেন, আশুলিয়াস্থ ঢাকা ইউপিজেডের ১’শ টি গামের্ন্টস এর মধ্যে খোলা রয়েছে ৫০টি তবে শ্রমিক উপস্থিতি ২০ ভাগ ।

অন্যদিকে, বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারের হেমায়েতপুরে স্কেল ফ্যাশান, সামাইর এলাকায় সততা এন্ড এ্যাম্বডায়রি পিন্ট লিমিটেড ও দোসাইদ এলাকায় রক ফ্যাশান গার্মেন্টস শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

এছাড়া মার্চ মাসের বেতনের দাবিতে সাভারের ধলেস্বরী নদীর পাড়ে অবস্থিত আকতার ফার্ণিশার্স লিমিটেড কারখানায় ব্যাপক ভাঙচুর করেছে শ্রমিকরা। যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানার গুলোর সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।