সংবাদ শিরোনাম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্তরোহিঙ্গা শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় নারীসহ দু’জন গ্রেপ্তারবেলকুচিতে দূর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান !জামালপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেফতার মাদ্রাসার শিক্ষক‘করোনাকালের নারী নেতৃত্ব: গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’বগুড়ায় শিক্ষা প্রনোদনা পেতে প্রত্যয়নের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগজামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবনপাবনায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান, চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার-২উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে ‘পেটালেন’ কাদের মির্জা!কে কত বড় নেতা, সবাইকে আমি চিনি: কাদের মির্জা

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনাভাইরাসে থমকে গেছে দিনাজপুরের কৃষি চিত্র

১১:৫১ অপরাহ্ন | বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২০ রংপুর
din

শাহ্ আলম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকেঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে থমকে গেছে উত্তরের শষ্যভান্ডার দিনাজপুরের কৃষি চিত্র। বড় ধরণের লোকসানের ঝুঁকিতে পড়েছে কৃষক। শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো ফসলে সেচ ও পরিচর্য়া নিয়ে কৃষক বিপাকে পড়েছেন। অন্যদিকে উৎপাদিত সব্জির বাজার জাতের সমস্যা ও দাম ভালো না পাওয়ায় ক্ষেতের সব্জি ক্ষেতেই বিনষ্ট হচ্ছে।

দিগন্ত বিস্তৃত সবুজের সমারোহ এই বোরো ক্ষেত নিয়ে এখন বিপাকে কৃষক। না পারছেন, সময় মতো ক্ষেতে সেচ দিতে,না পারছে পরিচর্য়া করতে। উঠতি এ বোরো ধান নিয়ে তারা চরম সমস্যায় পড়েছেন। ধার কর্জ করে জমিতে বোরো ধান লাগিয়ে, করোনার এই পাদূর্ভাবে তারা এখন সময় মতো, সেচ ও সার দিতে পারছেন না। শ্রমিকের অভাবে না পারছেন,ধান ক্ষেতের পরিচর্য়া করতে।

বোচাগঞ্জ উপজেলার ছাতোইল ইউনিয়নের চেংগন গ্রামের আদর্শ কৃষক মো, মতিউর রহমান জানা,‘আর ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই বোরো ধান ঘরে উঠবে। এই সময় করোনার ভয়ে ঘরে বসে থাকলে চরম ক্ষতি হবে কৃষকের। ধান ঘরে উঠাতে না পারলে কৃষক পরিবারকে সারাবছর এর খেসারত দিতে হবে।

চিরিরবন্দর উপজেলার বিন্নাকুড়ি এলাকার কৃষক মেহেরুজ্জামান জানালেন,করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিক সংকটে এখন অনেক কৃষক পরিবারের সদস্যরা নিজেরাই বাধ্য হয়ে ফসল পরিচর্যায় মাঠে নেমেছেন। তবে,দূরত্ব বজায় রেখেই তারা মাঠে কাজ করছেন।

বিরল উপজেলা পুরিয়া গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মো.মতিউর রহমান জানিয়েছেন,তার বেশকিছু ক্ষেত জুড়ে এখন টমেটো,বেগুন, কাঁচামরিচ, ডাঁটা, ঢেঁড়শ, লালশাক ও শসা রয়েছে। এসব সবজি এখন তোলা ও বিক্রি নিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন তিনি। একদিকে শ্রমিক সংকট অন্যদিকে বাজারজাতের প্রতিবন্ধতা। তার পর দাম নেই আগের মতো। পানির দরে বিক্রি হচ্ছে সব্জি। এতে উৎপাদন খরচতো দূরের কথা, উঠছেনা শ্রমিক মুজুরির খরচ। এমন অভিযোগ তার।

তবে দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তোৗহিদুল ইকবাল জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিকে নজরদারিতে রয়েছে জেলার কৃষি সেক্টর। এ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, করোনা ভাইরাসের কারণে কৃষি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েঠেন কৃষক। সার ও বীজের সঠিক মতো সরবরাহ না পাওয়ায় এবং শ্রমিক সংকটোর কারণে এবার কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশংকাই করছেন কৃষিবিদরা।