সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশকে তিস্তার পানি না দেয়ার সাফ ঘোষণা মমতারশ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতেই মারাই গেলেন কনে!এবার ‘টোকাই’ হয়ে আসছেন হিরো আলমহাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি তোলায় ১০ সংবাদকর্মী তালাবদ্ধবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

  • আজ ২২শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অসহায় মায়ের বিক্রি করা নবজাতককে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

১:৪২ অপরাহ্ন | শনিবার, মে ২, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক- বিল মেটাতে না পেরে সদ‌্য জন্ম দেওয়া সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেছিলেন দরিদ্র শরীফ-কেয়া দম্পত্তি। বিল মিটিয়ে সন্তান ছাড়াই বাড়ি ফেরেন তারা।

শুক্রবার (১ মে) গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ি থানা এলাকার সেন্ট্রাল মেডিক্যাল হাসপাতাল এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন নিজেই টাকা পরিশোধ করে সন্তানকে তার মার কোলে ফিরিয়ে দেন। শরীফ-কেয়া দম্পত্তির বাসা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুরের এনায়েতপুর এলাকায়।

শরীফ জানান, গত ২১ এপ্রিল গর্ভবতী স্ত্রী কেয়া খাতুনকে কোনাবাড়ির সেন্ট্রাল মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই দিন সিজারিয়ানের মাধ্যমে তিনি পুত্রসন্তান জন্ম দেন। কেয়া খাতুন ও শরীফ হোসেন দম্পতির এটাই প্রথম সন্তান।

হাসপাতালে ১১ দিন ভর্তি থাকায় তার বিল আসে ৪৭ হাজার টাকা। হাসপাতালের এ বিপুল পরিমাণ বিল স্বামী মো. শরীফের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব ছিল না। পরে মা কেয়া খাতুন ও তার স্বামী শরীফ হাসপাতালের বিল দিতে না পারায় নিজের সন্তানকে প্রতিবেশী এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। সন্তান বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন। শুক্রবার তারা সন্তানকে বিক্রি করে দিয়ে নগরীর কাশিমপুর এলাকার এনায়েতপুরে তাদের বাড়িতে চলে যান।

পরে বিষয়টি পুলিশের এডিশনাল আইজির (এসবি) মাধ্যমে খবর পান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন। কমিশনার বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

পরে গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার নিজেই নবজাতককে কিনে নেওয়া ওই ব্যক্তিকে ২৫ হাজার টাকা ফেরত দেন। পরে নবজাতকে নিয়ে হাজির হন শরীফ হোসেনের বাড়ি। মায়ের কোলে তুলে দেন ফুটফুটে শিশুটিকে। পাশাপাশি সন্তানকে লালন-পালনের জন্য আরো পাঁচ হাজার টাকা তুলে দেন ওই দম্পতির হাতে।

কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। অ্যাডিশনাল আইজি (এসবি) স্যারের মাধ্যমে ঘটনাটি শোনার পর খুব খারাপ লেগেছিল। খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। সন্তানটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে।