করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়াল

১১:০৯ পূর্বাহ্ন | সোমবার, মে ৪, ২০২০ আন্তর্জাতিক
coronabd

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না এই সংক্রমণ। সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গেছে আড়াই লাখের কাছাকাছি।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ২৯৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৬ জন। এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৬১ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়া নভেল করোনাভাইরাস এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৮৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যে চীন থেকে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি সেই চীনে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক হিসাবে মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ তুলনায় বেশ কম। এমনকি গত কয়েকদিনে দেশটিতে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ ৮৮ হাজার ১২২। মৃত্যু হয়েছে ৬৮ হাজার ৫৯৮ জনের। আর এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৬৩ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে স্পেনে। সে দেশে ২ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ২৫ হাজার ২৬৪ জনের। আবার মৃতের সংখ্যার দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরের অবস্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৮ হাজার ৮৮৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৭১৭ জন।

ফ্রান্সে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯৩ জন। মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজারের কাছাকাছি। যুক্তরাজ্যেও করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯৯ জন। জার্মানিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৮৬৬ জনের।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৫৫ জন। এদের মধ্যে ১৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৬৩ জন।