সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশকে তিস্তার পানি না দেয়ার সাফ ঘোষণা মমতারশ্বশুরবাড়ি যাওয়ার আগে কাঁদতে কাঁদতেই মারাই গেলেন কনে!এবার ‘টোকাই’ হয়ে আসছেন হিরো আলমহাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি তোলায় ১০ সংবাদকর্মী তালাবদ্ধবঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীনির্মাণকাজ শেষের আগেই ‘মডেল মসজিদের’ বিভিন্ন স্থানে ফাটলআহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কারঐতিহাসিক ৭ মার্চের সুবর্ণ জয়ন্তী: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে মানুষের ঢলচট্টগ্রাম কারাগারে হাজতি নিখোঁজ, জেলার-ডেপুটি জেলার প্রত্যাহারদেবীগঞ্জে ট্রাক্টরের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

  • আজ ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে বিনামূল্যে মিলছে ১০ টাকা কেজির চাল

৯:৩৪ অপরাহ্ন | সোমবার, মে ৪, ২০২০ সিলেট
hobi

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ওএমএস এর ৯৬০০ কার্ডধারীকে পুরো রমজান মাসে দু’দফায় ২০ কেজি করে ১ লাখ ৯২ হাজার কেজি চাল এমপি আবু জাহির এর উদ্যোগে ফ্রি প্রদান করা হবে।

৩ মে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১ম দফায় ৪০০০ জনের ৪০ হাজার কেজি চালের টাকা পরিশোধ করবেন এমপি আবু জাহির ব্যক্তিগত ভাবে, ২০০০ জনের ২০ হাজার কেজি চালের টাকা পরিশোধ করবেন আওয়ামীলীগ দলীয় ইফতারের পরিবর্তে ওই ফান্ড থেকে এবং আবু জাহির এমপি’র নির্দেশনায় ৩৬০০ জনের ৩৬ হাজার কেজি চালের টাকা পরিশোধ করবেন পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ। ২য় দফায় আরো ৯৬ হাজার কেজি চালের মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন এমপি আবু জাহির।

ফ্রি চাল পেয়ে শ্রমজীবী, অসহায় দুঃস্থদের মুখে ফুটে উঠেছে হাঁসির ঝিলিক। তারা প্রাণভরে দোয়া করে এমপি আবু জাহিরের জন্য।

রবিবার (৩ মে) সকালে শহরের ৫টি পয়েন্টে ডিলারের মাধ্যমে বিশেষ ওএমএস চাল ৯ হাজার ৬০০জন কার্ডদারী গরীব অসহায় মানুষের মাঝে বিক্রি শুরু হয়। গতকাল বিক্রি করায় ২০০০ জনের মাঝে। বিক্রি শুরুর আগেই হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চালের মুল্য বাবৎ নগদ ২ লাখ টাকা ৫জন ডিলারের হাতে তুলে দেন। আগামী মঙ্গলবার আরো ২ হাজার লোকের টাকা আবু জাহির এমপি পরিশোধ করবেন। এছাড়া অন্যান্য বছর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রমজানে ইফতারের আয়োজন করলেও এ বছর তা না করে ওই টাকা দিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার আরো ২ হাজার কার্ডদারীর চালের টাকা পরিশোধ করা হবে। পরবর্তীতে বাকী কার্ডদারীদের টাকা পরিশোধ করবেন হবিগঞ্জ পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ।

এ ব্যাপারে এমপি আবু জাহির বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের পাশে রয়েছেন। চালু করেছেন বিশেষ ওএমএসের মাধ্যমে চাল বিতরণও। কিন্তু হবিগঞ্জ শহরের কর্মহীন মানুষরা সেই টাকা পরিশোধ করতে কষ্ট হচ্ছে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমি অস্বচ্ছল লোকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ইতোমধ্যে ২ হাজার মানুষের ২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি, আগামী মঙ্গলবার আরো ২ লাখ টাকা মোট ৪ লাখ টাকা ব্যক্তিগত ভাবে পরিশোধ করছি। পরবর্তী বৃহস্পতিবার জেলা আওয়ামী লীগ এবং এরপর হবিগঞ্জ পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ টাকা পরিশোধ করবেন।

তিনি বলেন, আমি পুরো রমজান মাসই ৯ হাজার ৬০০ কার্ডধারী মানুষের মাঝে ফ্রি চাল দেবার পরিকল্পনা করেছি। এতে করে ওই কার্ডদারীদের চালের সমস্যায় না ভোগেন। তিনি এ সংকটময় মুহুর্তে অসহায়দের সহযোগিতায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ সময় হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম, সদর উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু, আওয়ামী লীগ নেতা নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম জানিয়েছেন, রবিবার ২ হাজার বিশেষ ওএমএস কার্ডধারীর পক্ষে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ২ লাখ টাকা ডিলারদেরকে দিয়েছেন এমপি আবু জাহির। আগামী মঙ্গলবার আরো ২ হাজার লোকের টাকা পরিশোধ করবেন তিনি। পরবর্তীতে জেলা আওয়ামী লীগ এবং হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে দেয়া হবে বাকী সুবিধাভোগীদের টাকা।

চাল নিতে আসা এক নারী জানান, তার স্বামী থাকলেও অসুস্থ অবস্থায় ঘরে। রিক্সা চালক ছেলেটিও বেকার। ১০ টাকা কেজি দরে চাল কিনতেও তাদের সামর্থ ছিল না। এই সুবিধা পেয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দ।

অটোরিক্সা চালক এনামুল হাসান বলেন, অনেকেই সহায়তা দেবেন বলে আশ^স্থ্য করলেও দেননি। অবশেষে একটি ওএমএস কার্ড পেলেও ঘরে টাকা ছিল না। এখন বিনামূল্যে চাল পেয়ে স্ত্রী ও ছেলে মেয়েদের ভাতের ব্যবস্থা