সংবাদ শিরোনাম

দেশে আবারও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু ১৩ফের করোনার সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনাবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে: : নরেন্দ্র মোদিসীমানা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাধা হওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রীগাজীপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটককালকিনিতে পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা আপত্তিকর অবস্থায়  আটকজিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আপত্তিকর: রিজভীনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বরযাত্রীবাহী বাস ধানক্ষেতে, আহত ১৫রংপুরে ধর্ষণ মামলায় এএসআইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটসিরাজগঞ্জে পুত্রবধু ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতার

  • আজ ২৪শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন আরও ৬ জন

৮:২১ পূর্বাহ্ন | সোমবার, মে ১১, ২০২০ সিলেট
suann

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দুটি উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত আরো ৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে শাল্লা উপজেলার ৫জন ও ১জন ছাতক উপজেলা রয়েছেন। এ নিয়ে সুস্থ হলেন ১৪জন। রবিবার ৬জনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামরুল হাসান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়,গত ৫মে শনাক্ত হওয়া ৫ জনের মধ্যে তিনজন হাসপাতালের স্টাফ এবং দুইজন সদর ইউনিয়নের ডুমরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও তিনজন মহিলা। ডুমরা গ্রামের দুইজন কিছু দিন আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছিল। ২য় বারের পরীক্ষার রিপোর্টে তাদের নেগেটিভ আসায় তাদের আইসোলেসন থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, জেলায় করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত ছাড়াও ২০ জন ডাক্তার ও ১৪৩ জন নার্সও রয়েছেন। এছাড়াও জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, ছাতক, দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ১৩১টি বেড রয়েছে। এছাড়াও ৮৬ জন ডাক্তার, ২৪৭ জন নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের প্রয়োজনে ১টি এম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। জরুরী বিভাগে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।

সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ শামস উদ্দিন জানান, রবিবার (১০,০৫,২০২০) ৬ জনের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এর আগে দোয়ারাবাজার উপজেলা ১জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ২ জন, শাল্লা উপজেলার ২ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ১ জন, দিরাই উপজেলার ১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।