সংবাদ শিরোনাম
আম্পানে সুন্দরবনের ক্ষতি বুলবুলের চেয়ে ‘৩ গুণ’ বেশি | মাংস কিনতে গিয়ে এন‌জিও কর্মী নিখোঁজ, ঈদের দিন মিলল মরদেহ | আম্পানে ভেসে গেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল মানুষের ঈদ, এখন চলছে বেঁচে থাকার যুদ্ধ | আড়াই মাসে সর্বনিম্ন প্রাণহানি দেখলো ইতালি | সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানালেন খালেদা জিয়া | ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত | গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের ট্রায়াল স্থগিত | গাজীপুরে ঈদের নামায এবং বাবার কবর জিয়ারত শেষে বাড়ি ফেরার পথে যুবক খুন | দাফনের টাকা নিয়েও তিস্তায় ভাসিয়ে দেওয়া হল করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃতের লাশ | কিট সংকটে নোবিপ্রবির ল্যাবে করোনা পরীক্ষা বন্ধ |
  • আজ ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফের ঢাকা ছাড়ছে অজস্র মানুষ, যানজটে স্থবির

৩:৫৮ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মে ১৯, ২০২০ ফিচার

রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার- আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকার বাইরের কোন জেলায় যেন কেউ যেতে না পারে সে লক্ষ্যে সরকার আগেই নানা দিকনির্দেশনা দিলেও তা মানছেন না বেশিরভাগ মানুষ।

সরকারি নির্দেশনার কোনো তোয়াক্কা না করে অনেকেই ব্যাক্তিগত গাড়ি কিংবা অভিনব নতুন নতুন কৌশলে ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকা ত্যাগ করছেন। দেশের নৌ-রুটগুলোতেও ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

তাছাড়া পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে ফেরিতে উঠতেও চার পাঁচ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। নৌরুটগুলোতে মানুষের উপচেপড়া ভিড় ঠেকাতে ও পরিস্থিতি সামলাতে নৌরুটগুলোতে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধই ঘোষণা করা হয়েছে।

পাশাপাশি গত রোববার থেকে রাজধানীর সকল প্রবেশপথে বসানো হয়েছে পুলিশ চেকপোস্ট। আর রাজধানীর এ সকল প্রবেশপথে পুলিশ সকল যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করায় তৈরী হচ্ছে যানযট। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন চালক ও শ্রমিকরা।

১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর মিরপুর রোডের গাবতলীর মাজার রোড থেকে কল্যানপুর পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কজুড়ে পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

এনামুল নামে চুয়াডাঙ্গা গামী ট্রাকচালক সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, গতকাল রাতে কাঁচামাল নিয়ে ঢাকায় এসেছিলাম। আজ ফিরছি। গতকাল ঢাকায় আসতে দৌলতদিয়া ফেরীঘাটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ফেরীতে উঠেছিলাম। আজ ফেরার পথে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় যানযটে আটকে দীর্ঘ সময় নষ্ট করতে হচ্ছে। খুবই যন্ত্রণার ভেতরে আছি। তাছাড়া আজকে সঠিক সময়ে চুয়াডাঙ্গায় পৌছতে না পারলে রাতে কাচামালের ট্রিপ নিয়ে ঢাকায় আসা সম্ভব হবে না। ফলে পুরোপুর লোকসান হবে। ঘরে বউ বাচ্চা নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।

মিরপুরের দারুসসালাম এলাকার টেকনিক্যাল পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট সমীর সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকায়। সংক্রমণ ঠেকাতে গত রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে আমাদেরকে জানানো হয়েছে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঢাকা মহানগরীতে আসতে পারবে না ও নগরীর বাইরে যেতে পারবে না।

রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে তল্লাশির ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যাতে কোনো ব্যক্তি একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢাকায় প্রবেশ বা ঢাকা থেকে বাইরে যেতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই তল্লাশির এই ব্যবস্থা। তবে এই নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকবে জরুরি সেবা ও পণ্য সরবরাহ কাজে নিয়োজিত যানবাহন।