ভারতে একদিনে রেকর্ড ৫৬১১ জন করোনা আক্রান্ত, মৃত ১৪০

◷ ৪:০৬ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, মে ২০, ২০২০ আন্তর্জাতিক
ind

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতে বেড়েই চলেছে করোনা শনাক্তের সংখ্যা। একদিনের চেয়ে পরের দিনই এই সংখ্যা টপকে যাচ্ছে। কোনক্রমেই কমানো যাচ্ছে না করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন করে ৫ হাজার ৬১১ জনের শরীরে ধরা পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস, মারা গেছেন আরও ১৪০ জন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, দেশে এ পর্যন্ত করোনভাইরাসজনিত কারণে ৩ হাজার ৩০৩ জন মারা গেছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৬ হাজার ৭৫০ জনে পৌঁছেছে। আজ (বুধবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত ৪২ হাজার ২৯৮ জন রোগী সুস্থ হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের হারে দেশটির সব রাজ্যের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। তারপরেই রয়েছে তামিলনাড়ু। ওই রাজ্যে মঙ্গলবারই নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৬৮৮ জন মানুষ, এ নিয়ে মোট ১২ হাজার ৪৪৮ জন মানুষ আক্রান্ত এ রাজ্যে। তবে গতকাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের পরেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে ছিল গুজরাট। কিন্তু একদিনের মধ্যে আক্রান্তের দ্বিতীয় স্থানে চলে গেল তামিলনাড়ু। গুজরাটে এখন মোট করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার ১৪০ জন।

এদিকে ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত ৪ হাজার ৯২৬ জন। তবে সংক্রমণের সংখ্যা এই রাজ্যে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতে প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৩০ জানুয়ারি। চীনের উহান ফেরত কেরলের এক ছাত্রী দেশের প্রথম করোনায় আক্রান্ত হোন। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। জারি করা হয় মহামারি।

এই মহামারি মোকাবিলায় গত ২৫ মার্চ থেকে ভারতে লকডাউন জারি করা হয়, বর্তমানে তার চতুর্থ ধাপ চলছে। তবে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। সংক্রমণ কম আছে এমন এলাকায় বাস ও অটোসহ বিভিন্ন গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার তথ্যানুযায়ী, বুধবার (২০ মে) সকাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী নোভেল করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৩ জন। এই ভাইরাসে মারা গেছে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯১০ জন।

এদিকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর পাশাপাশি এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৯ হাজার ১৪৯ জন, যা মোট রোগীর ৮৬ শতাংশ। আর চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৭ লাখ ২ হাজার ৯২৬ জন। এরমধ্যে ৪৫ হাজার ৪২৫ জনের অবস্থা গুরুতর।