সংবাদ শিরোনাম
আম্পানে সুন্দরবনের ক্ষতি বুলবুলের চেয়ে ‘৩ গুণ’ বেশি | মাংস কিনতে গিয়ে এন‌জিও কর্মী নিখোঁজ, ঈদের দিন মিলল মরদেহ | আম্পানে ভেসে গেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল মানুষের ঈদ, এখন চলছে বেঁচে থাকার যুদ্ধ | আড়াই মাসে সর্বনিম্ন প্রাণহানি দেখলো ইতালি | সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানালেন খালেদা জিয়া | ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত | গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের ট্রায়াল স্থগিত | গাজীপুরে ঈদের নামায এবং বাবার কবর জিয়ারত শেষে বাড়ি ফেরার পথে যুবক খুন | দাফনের টাকা নিয়েও তিস্তায় ভাসিয়ে দেওয়া হল করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃতের লাশ | কিট সংকটে নোবিপ্রবির ল্যাবে করোনা পরীক্ষা বন্ধ |
  • আজ ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাউল সাধক রণেশ ঠাকুরের পাশে জেলা প্রশাসক

৬:১৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, মে ২০, ২০২০ সিলেট
safd

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বাউল গানের আসর আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় উজান ধল গ্রামের বাউল সাধক রণেশ ঠাকুরের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ। বুধবার দুপুরে (২০/০৫/২০২০) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় তিনি রণেশ ঠাকুরকে নতুন ঘর নির্মাণ এবং বাদ্যযন্ত্র প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সাথে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম এঁর পুত্র শাহ নূরজালালকে বাউল গানের আসরঘর নির্মাণের জন্য পাঁচ বান ঢেউটিন ও ১২ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

রণেশ ঠাকুরের ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের সুষ্ঠু শনাক্তকরণের জন্য জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান বিপিএম, দিরাই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সফি উল্লাহসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার দিবাগত রাত ১ টায়(১৮/০৫/২০২০ ইং) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের বাউল রণেশ ঠাকুরের বাড়ীর আসর ঘরে আগুন লেগে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। উজানধল গ্রামের মোহন চক্রবর্তী কীর্ত্তনীয়ার দুই ছেলে রুহী ঠাকুর এবং বাউল রণেশ ঠাকুর বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের অন্যতম একনিষ্ঠ অনুসারী। ৫৫ বছর বয়সী বাউল রণেশ ঠাকুরের বাড়ী শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি সংলগ্ন।

করোনাপূর্ব কালীন সময়ে তার আসর ঘরে নিয়মিত বাউল সঙ্গীতচর্চা হত। আসর ঘরটিতে তার দোল, ছইট্টা, দোতারাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি এবং কিছু পুস্তিকা ছিল। রবিবারে রাত দেড়টার দিকে প্রতিবেশীর চিৎকারে বাড়ীর এবং আশেপাশের মানুষজন সজাগ হয়ে দেখেন যে আসর ঘরটি পুড়ে যাচ্ছে। বাউল রণেশ ঠাকুর কাউকে সন্দেহ করেননি।