সংবাদ শিরোনাম

গাজীপুর ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫০১ পিস ফেনসিডিল উদ্ধার, গ্রেফতার-২কক্সবাজার দুই উপজেলায় পানি সংকটে কৃষকদের হাহাকার, বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়মবেলকুচিতে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংদম্পত্তির অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে জেলহাজতে ছাত্রলীগ সম্পাদকপদ্মা নদীতে ভ্রমণতরীর উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীসবকিছু ছবি তুলে ফেসবুকে দিতে হয় না : আজহারীজামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় হাসপাতাল ওয়ার্ড বয়ের মৃত্যুবাগেরহাটে হস্তান্তরের শেখ হাসিনার উপহার ৪৩৩টি ঘর পাবনায় মায়ের পান আনতে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার কলেজ ছাত্রী !শেরপুরে ফাঁসিতে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা

  • আজ ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাউল সাধক রণেশ ঠাকুরের পাশে জেলা প্রশাসক

◷ ৬:১৭ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, মে ২০, ২০২০ সিলেট
safd

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বাউল গানের আসর আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় উজান ধল গ্রামের বাউল সাধক রণেশ ঠাকুরের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ। বুধবার দুপুরে (২০/০৫/২০২০) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় তিনি রণেশ ঠাকুরকে নতুন ঘর নির্মাণ এবং বাদ্যযন্ত্র প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সাথে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম এঁর পুত্র শাহ নূরজালালকে বাউল গানের আসরঘর নির্মাণের জন্য পাঁচ বান ঢেউটিন ও ১২ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

রণেশ ঠাকুরের ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের সুষ্ঠু শনাক্তকরণের জন্য জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান বিপিএম, দিরাই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সফি উল্লাহসহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার দিবাগত রাত ১ টায়(১৮/০৫/২০২০ ইং) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামের বাউল রণেশ ঠাকুরের বাড়ীর আসর ঘরে আগুন লেগে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। উজানধল গ্রামের মোহন চক্রবর্তী কীর্ত্তনীয়ার দুই ছেলে রুহী ঠাকুর এবং বাউল রণেশ ঠাকুর বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের অন্যতম একনিষ্ঠ অনুসারী। ৫৫ বছর বয়সী বাউল রণেশ ঠাকুরের বাড়ী শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি সংলগ্ন।

করোনাপূর্ব কালীন সময়ে তার আসর ঘরে নিয়মিত বাউল সঙ্গীতচর্চা হত। আসর ঘরটিতে তার দোল, ছইট্টা, দোতারাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি এবং কিছু পুস্তিকা ছিল। রবিবারে রাত দেড়টার দিকে প্রতিবেশীর চিৎকারে বাড়ীর এবং আশেপাশের মানুষজন সজাগ হয়ে দেখেন যে আসর ঘরটি পুড়ে যাচ্ছে। বাউল রণেশ ঠাকুর কাউকে সন্দেহ করেননি।