সংবাদ শিরোনাম
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি পৌনে দুই কোটি টাকা | বিআইটিআইডির ল্যাব প্রধান ডা. শাকিল করোনায় আক্রান্ত | দিনাজপুরে নতুন করে ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ১৪৮ | চীনের সঙ্গে ইসরাইলের বিকাশমান সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের | আগামী পাঁচদিন সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা | চট্টগ্রামে নতুন শনাক্ত আরও ৯৮, মোট ১৯৮৫ | চট্টগ্রামে ইম্পেরিয়াল ও বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে হবে করোনা চিকিৎসা | সীমান্তে চরম উত্তেজনা, তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বৈঠক মোদির | করোনার টিকা না আসা পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে: ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট | আবারো মুখোমুখি চীন ও ভারতের সৈন্যরা, যুদ্ধের আশঙ্কা |
  • আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

থামছে না জনস্রোত, পাটুরিয়া থেকে ঢাকায় ফেরত পাঠাচ্ছে পুলিশ

১০:৪৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে আজও ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। কোনো বাধাই যেন তাদের বাড়িতে যাওয়া থামতে পারছে না।

সারাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সব প্রকার গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বাড়ি ফিরতে ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন তারা।  আজ বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী মহাসড়কে পুলিশি বাধা টপকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার শত শত মানুষ বিভিন্ন কৌশলে পায়ে হেঁটে জড়ো হন পাটুরিয়া ফেরিঘাটে।

তবে ফেরি পারাপার বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন তারা। কেউ কেউ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘাটের অদূরে ট্রলার কিংবা ইঞ্জিনচালিত নৌকা করে নদী পাড়ি দেন। আবার অনেক যাত্রীকে ঘাট থেকে বাসে করে ঢাকায় ফেরত পাঠাতে দেখা গেছে পুলিশকে।

ঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, ঈদের মধ্যে শপিংমল, মার্কেট, দোকানপাট সবই বন্ধ রয়েছে। তাদের কর্মস্থলগুলো বন্ধ। আয়-উপার্জন নেই। ঢাকায় বসে থেকে তারা কী করবেন? বাধ্য হয়ে ঈদ উপলক্ষ্যে গ্রামের বাড়িতে চলে যাচ্ছেন তারা।

মহাসড়কের বহু স্থানে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, বিভিন্ন কৌশলে পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে ফেরিঘাটে পৌঁছেছেন তারা। কিন্তু ফেরি বন্ধ থাকায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তাদের।

অনেকেই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘাটের অদূরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা কিংবা ট্রলারে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পাড়ি দেন। আবার কেউ কেউ ফেরির অপেক্ষায় বসে থাকেন।

তবে ঘাট এলাকায় যাত্রীদের থাকতে দেয়নি পুলিশ। মাইকিং করে ঘাট ত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়। কোনোভাবেই যেন ঢাকা থেকে আসা এসব যাত্রী নদীর পার না হতে পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন পুলিশ সদস্যরা। ঘাটে আসা যাত্রীদের বিনা ভাড়ায় বাসে করে ঢাকায় ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থাও করে পুলিশ প্রশাসন।

মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, ‘ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মোট ১০টি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। চেকপোস্টে সব ধরনের যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে দেয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, মানিকগঞ্জের প্রবেশদ্বার গোলড়া এলাকায় সব ধরনের যানবাহনে তল্লাশি করে শুধু পণ্যবাহী ট্রাক, জরুরি সরকারি যানবাহন, রোগীবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সকে যেতে দেয়া হচ্ছে। অন্য সব ধরনের যানবাহনকে ঘুরিয়ে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

এরপরও বিভিন্ন কৌশলে মানুষজন শাখা রাস্তা, কিংবা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘাটে এসে জড়ো হচ্ছেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘এসব মানুষদের ফেরি পার না করে উল্টোপথে বাস ভাড়া করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ২০টির মতো গাড়িতে করে কয়েক শ যাত্রীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

‘আর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ট্রলার কিংবা নৌকা চলাচলকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে,’ যোগ করেন পুলিশ সুপার।