সংবাদ শিরোনাম
‘যে ওষুধ সাধারণদের কেনার সামর্থ্য নেই, সেই ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করব না’ | প্রতিবন্ধী বাবার প্রতিবন্ধী মেয়ে জাহানারা পেলেন জিপিএ-৫ | তানোরে এবার ঢাকা ফেরত দম্পতি করোনায় আক্রান্ত | নওগাঁয় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যু | চট্টগ্রামে ৬২১ নমুনা পরীক্ষায় ২০৮ জনের করোনা পজিটিভ | লালমনিরহাটে দুর্গম চরাঞ্চলে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন এসিল্যান্ড | করোনা আক্রান্ত মোহাম্মদ নাসিমকে আইসিইউতে স্থানান্তর | ভূঞাপুরে বিল সাঁতরে কৃষকের স্বপ্নের ধান বাড়িতে পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ | স্ত্রীর মামলায় স্বামী, শ্বশুর-শ্বাশুড়ি ও দেবর গ্রেফতার | লাদাখ সীমান্তের খুব কাছে উড়ছে চীনা যুদ্ধবিমান, সতর্ক ভারত |
  • আজ ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনার ওষুধ ‘রেমডিসিভির’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করলো বেক্সিমকো

৯:১৫ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, মে ২২, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- করোনাভাইরাস আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এক হাজার ‘রেমডিসিভির’ ওষুধ দিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে ওষুধগুলো হস্তান্তর করেন বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ চিকিৎসায় বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান প্রথম কোনো ওষুধ হস্তান্তর করায় বেক্সিমকো ফার্মাকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বহু দেশ কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ওষুধ আবিষ্কারের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ থেকেও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ছয়টি কোম্পানিকে কোভিড-১৯ চিকিৎসার ওষুধ প্রস্তুত করতে প্রাথমিকভাবে অনুমতি দিয়েছে। এ ওষুধগুলো আরও ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরই বাজারজাত করতে হবে।’

উপযুক্ত পরীক্ষা ছাড়া উৎপাদিত ওষুধগুলো এখনই বাজারজাত করা যাবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আরও অনেক ধরনের ওষুধের নাম চলে আসে। কিন্তু বাংলাদেশসহ এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশই শতভাগ কার্যকর ওষুধ আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে।’

আমেরিকায় উৎপাদিত ‘রেমডিসিভির’ ওষুধের ন্যায় বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা কর্তৃক উৎপাদিত ওষুধের নাম ‘বেমসিভির’ করা হয়েছে।

এ ওষুধ আপাতত সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসারত ঝুঁকিপূর্ণ কোভিড-১৯ রোগীদের শরীরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশ করানো হতে পারে। একই সাথে এ ওষুধ এখনই বাজারজাত করা হবে না বলেও জানান বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সব ওষুধই কিছু না কিছু কাজ করে। তবে কোনো ওষুধই শতভাগ কাজ করে না। ডাক্তাররা তাদের প্রটোকলে কিছু ওষুধ নিয়েছেন। আশা করি, এ ওষুধটাও তারা নিয়ে যাবেন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন সেখানে ছিলেন।