সংবাদ শিরোনাম

বিয়ে পাগল স্বামীর গোপনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিলেন স্ত্রী!সিরাজগঞ্জে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও শিশু নিহতটিকা সবাইকে দিয়ে নিই, তারপর আমি নেবো: প্রধানমন্ত্রীসুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ১ জন আটকসংঘর্ষ, গোলাগুলি অতঃপর দুই লাশে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনরংপুরে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯ লাখ টাকা জরিমানানির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘লাশ দাফনে বাঁধা দিয়েছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান’- তদন্ত কমিটি

◷ ১২:২৫ অপরাহ্ন ৷ শনিবার, মে ৩০, ২০২০ রংপুর
lal

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: সেই গার্মেন্টস কর্মী মাহমুদা বেগম মৌসুমীর (২১) লাশ দাফনে বাঁধা দিয়েছিলেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাদ। তদন্তে এর প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

শুক্রবার (২১ মে) বিকেলে এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর। লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) মোঃ রফিকুল ইসলাম তদন্ত শেষে প্রতিবেদনে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাত এর বিরুদ্ধে মরদেহ দাফনে বাঁধা প্রদানের বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে।

গত ২১ মে গার্মেন্টস কর্মী মাহমুদা বেগম মৌসুমী গাজীপুর থেকে ট্রাকে করে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথি মধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় এসে চালক বুঝতে পারেন মৌসুমী মারা গেছেন। এরপর তার মরদেহ রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান ট্রাকটির চালক ও হেলপার। পরে ৯৯৯ এর খবরের ভিত্তিতে তাজহাট থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে ২৩ মে পুলিশ মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফার কাছে তার মেয়ের মরদেহ হস্তান্তর করে।

মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি অবগত করে নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেন বলে অভিযোগ করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা।

নিরুপায় হয়ে হতভাগ্য অসহায় বাবা মেয়ের মরদেহ দাফন করতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার একজন লাশবাহি গাড়ি চালকের সাথে ৫ হাজার টাকা চুক্তি করেন লাশ দাফনের। চালক মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে গোলাম মোস্তফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন।

এর দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে রোববার (২৪মে) রাতে আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারী ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন, আদিতমারী থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল। সেটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি দ্রুত ঘটনার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।