জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ঢাকার পথে মানুষের ঢল

১০:১৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, মে ৩০, ২০২০ ঢাকা
tan

অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোটার: সরকার ঘোষিত দীর্ঘ দুই মাসের সাধারণ ছুটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল। ছুটি শেষ হওয়ায় কর্মস্থলে যোগ দিতে পরিবার পরিজন নিয়ে হাজারে হাজার মানুষ ফিরছেন ঢাকায়। সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা এলাকায় দেখা গেছে মানুষের জনস্রোত। মানুষের জনস্রোত থাকলেও স্বাস্থ্যবিধির নূন্যতম বালাই নেই কারো মাঝেই।

এ ব্যাপারে যাত্রীদের অভিযোগ, গণপরিবহন আগে না খুলে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় ভোগান্তির মাত্রা কয়েকগুন বেড়ে গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগে কয়েকগুন বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে ভাড়ায় চালিত নিজত্ব পরিবহন চালকরা। ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী বহন করায় চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকি মাথায় নিয়েই জীবন-জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ফিরতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় ফেরা মানুষগুলি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এদের মধ্যে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ ও শ্রমজীবী মানুষেরা। কিছুটা আর্থিক সংগতিতে থাকা মানুষেরা প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে যাতায়াত করলেও আর্থিক অসংগতিতে পড়া মানুষগুলি ট্রাক, খোলা পিকআপ, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছেন।

এ দিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকার পরেও শুক্রবার সকাল ছয়টা থেকে শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা গণপরিবহন বন্ধ থাকা যে কোন সময়ের সর্বোচ্চ আদায় বলে জানিয়েছে বিবিএ সূত্র। সূত্র মতে, গেল ২৪ ঘন্টায় সেতুতে পারাপার হয়েছে ২২ হাজার গাড়ি। যারমধ্যে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের সংখ্যা প্রায় ৮হাজার মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ও বাকী ৭ হাজার ছোট ছোট ট্রাক ও পিকআপ।

এ প্রসঙ্গে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল হোসেন সময়ের কণ্ঠস্বর’কে বলেন, মহাসড়কে ছোট ছোট যানবাহনের চাপ বেড়েছে। নির্দেশনা মোতাবেক চেকপোস্ট বসিয়ে গণপরিবহন ও ট্রাক পিকআপে যাত্রী পরিবহন করতে দেয়া হচ্ছেনা। আগামীকাল পর্যন্ত এই চাপ থাকবে বলেও জানান তিনি।