সংবাদ শিরোনাম

করোনা ভ্যাকসিন নিবন্ধনের অ্যাপস প্রস্তুতপৌর নির্বাচন সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে: তথ্যমন্ত্রীখালেদা জিয়ার মায়ের ১৩তম মৃত্যু বার্ষিকী পালনকরোনায় আক্রান্ত হাসানুল হক ইনু, হাসপাতালে ভর্তিভারতে টিকা নেয়ার পর ৪৪৭ জনের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া, ১ জনের মৃত্যুহাতিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার-৫জাতীয় সংসদ দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু: রাষ্ট্রপতিশাহজাদপুরে ইরি-বোরো রোপন শুরু, শৈত্যপ্রবাহের কারণে চিন্তিত কৃষকবগুড়ায় মাটি সরাতেই বেরিয়ে এলো যুবকের অর্ধগলিত লাশজার্সিতে ‘ভুলবশত’ বাংলাদেশের নাম বাদ পড়েছিল: বিসিবি

  • আজ ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দেশের ৩০-৪০ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে : বিজন কুমার শীল

◷ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন ৷ রবিবার, মে ৩১, ২০২০ আলোচিত
dr bijon kumar shil

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) দেশের ৩০ থেকে ৪০ ভাগ মানুষ ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বলে মনে করেন চিকিৎসা বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা শনাক্তকরণ কিট উদ্ভাবক দলের এ প্রধান বিজ্ঞানীর ধারণা, দেশে করোনার তীব্রতা তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। আগামী এক মাসে করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে হার্ড ইমিউনিটি গড়ে উঠবে, যাতে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে পারে।

শনিবার (৩০ মে) রাতে একটি সংবাদমাধ্যমের ফেসবুক লাইভে অংশ নিয়ে তিনি তার এ ধারণার কথা তুলে ধরেন।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ড. বিজন ২০০৩ সালে সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন সার্স ভাইরাসের কিট উদ্ভাবন করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

আলোচনায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশে এরই মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেছেন। তবে তারা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু তারা যে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা হয়তো জানেন না। হয়তো সামান্য জ্বর হয়েছে, কাশি হয়েছে, দুর্বলতা অনুভব করেছেন।

ইউরোপ-আমেরিকাকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে করোনাভাইরাস। সে তুলনায় সরকারি-বেসরকারি হিসাব মেলালে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রভাব সেই আকারে দেখা যাচ্ছে না, এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউরোপসহ উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। ইউরোপের মানুষের ইমিউন ব্যবস্থা ‘স্ল্যাগিশ’।

বিজন কুমার শীল বলেন, হার্ড ইউমিনিটিতে পৌঁছাতে হলে ৮০ ভাগ মানুষকে আক্রান্ত হতে হবে। যা আগামী এক মাসের মধ্যে ঘটতে পারে বলে আমি মনে করি।

ইউরোপে যখন করোনা সংক্রমিত হয় তখন তাপমাত্রা কম ছিল এবং বাতাস চলাচলও কম ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের তীব্রতা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ কমে গেছে। এখানে ইমিউন সিস্টেমসহ কিছু বিষয় কাজ করেছে। তবে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস যদি জানুয়ারিতে আসত তাহলে এর তীব্রতা আরও বেশি হতো। মার্চে যেহেতু এসেছে, সে কারণে এখানে এর তীব্রতা কম দেখা যাচ্ছে।