সংবাদ শিরোনাম
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি মাহফুজুর রহমান গ্রেফতার | গাজীপুরে পিবিআইয়ের অভিযানে অপহরণকারী চক্রের  ২সদস্য গ্রেফতার | সিলেট এবং খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের প্রতিবাদে গাজীপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ | শিল্পপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ভূমিমন্ত্রীর শোক | বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড দলকে অভিনন্দন জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | ‘শেখ হাসিনার জন্যই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছে’- মেয়র তাপস | ‘নভেম্বরে আসতে পারে করোনার ভ্যাকসিন’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী | শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির বাতিঘর ও কাণ্ডারি: শিক্ষামন্ত্রী | শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন শিক্ষামন্ত্রী | দেশে ইতিহাস বিকৃতির জনক জিয়াউর রহমান: কাদের |
  • আজ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ শহরে কারফিউ জারি

১০:৩২ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, জুন ১, ২০২০ আন্তর্জাতিক
uss

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে নিরস্ত্র ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যার ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন শহরে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, দোকান লুটপাটসহ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

আন্দোলনের ক্ষীপ্রতা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০টিরও বেশি অঙ্গরাজ্যের অন্তত ৪০টি শহরে সন্ধ্যার পর থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের রুখতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ন্যাশনাল গার্ড আর্মি নামানো হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ও মেয়ররা।

এই সংঘর্ষের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষায় “লুটেরা এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের” দোষারোপ করেছেন।

গত সোমবার মিনেয়াপোলিসে পুলিশের হেফাজতে থাকার সময় মারা যান ৪৬ বছর বয়সী আফ্রিকান আমেরিকান নাগরিক মি ফ্লয়েড। ৪৪ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চউভিনকে তার মৃত্যুর জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং সোমবার তাকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় যে, বেশ কয়েক মিনিট ধরে ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু গেড়ে বসে রয়েছেন চউভিন। সেসময় ফ্লয়েড বারবারই বলছিলেন যে তিনি নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না। ওই সময়ে উপস্থিত থাকা আরো তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।

দেশজুড়ে ষষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ চলছে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলেছেন হোয়াইট হাউজ। জর্জিয়া, আটলান্টায় শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা ভাংচুর চালানোর পর জান-মালের নিরাপত্তায় সেখানে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

মিনেয়াপোলিস, নিউইয়র্ক, মায়ামি, আটলান্টা এবং ফিলাডেলফিয়ায় বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। অন্যান্য শহরের সাথে মিনেয়াপোলিস, আটলান্টা, লস এঞ্জেলেস, ফিলাডেলফিয়া, পোর্টল্যান্ড এবং লুইসভিলে রাতভর কারফিউ জারি করা হয়েছে। অনেক শহরে বিক্ষোভকারীরা কারফিউ ভেঙ্গে ব্যাপক হারে লুটপাট চালিয়েছে।

শুক্রবার মিনেসোটায় ন্যাশনাল গার্ডের কয়েকশ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ন্যাশনাল গার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সংরক্ষিত সামরিক বাহিনী যাদেরকে অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা সামাল দিতে প্রেসিডেন্ট কিংবা রাজ্যের গর্ভনর ডাকতে পারে।

শনিবার গভীর রাতে ও রোববার নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে পুলিশের সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হন অন্তত পঞ্চাশ পুলিশ। আটক করা হয়েছে চার শতাধিক ব্যক্তিকে। করোনা মহামারির কারণে জারি থাকা লকডাউন শিথিল করা হলে এ বিক্ষোভ আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রবাসীদের।

প্রবাসীদের একজন বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। লকডাউন আছে বলে মানুষ এখনও বেরোতে পারছে না। লকডাউন খুললে অবস্থা চরমে চলে যাবে।