সংবাদ শিরোনাম
‘সিগারেট খেয়েছি, ড্রাগস নয়..ড্রাগস নিত সুশান্ত’- সারা আলী খান | ৫ অক্টোবর ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার | পাবনা-৪ আসন উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস বিজয়ী | ‘বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে’- শেখ হাসিনা | ‘মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে’- প্রধানমন্ত্রী | শেরপুরে শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে আটক-১ | পদত্যাগ করলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আদিব | নীলা হত্যা মামলা: প্রধান আসামি মিজান ৭ দিনের রিমান্ডে | ‘আওয়ামী মন্ত্রীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে’- রিজভী | ‘শেখ হাসিনা আছেন বলে আমরা স্বপ্ন দেখার সুযোগ পেয়েছি’- পররাষ্ট্রমন্ত্রী |
  • আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনামুক্ত হলো শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা

৫:১৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুন ৭, ২০২০ সিলেট
ssa

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলায় যেখানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে একমাত্র ব্যতিক্রম উপজেলা শায়েস্তাগঞ্জ। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর থেকে মাত্র একজন করোনাভাইরাস পজিটিভ পাওয়া গেছে এই উপজেলায়।

গত ২১ মে রাতে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার চরহামুয়ার আব্দুল ওয়াহিদ রাজা নামে এক কলেজ ছাত্রের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ২২ মে সকালে উপজেলা প্রশাসন রাজা ও তার পরিবারের সবাইকে লকডাউন করে।এরপর থেকে বাড়ি থেকে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন রাজা। এর মধ্যে আরও দুইবার নমুনা সংগ্রহে করে পরীক্ষা করোনা হলে নেগেটিভ আসে। সর্বশেষ ৬ জুনও আবারও তার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। এরপর স্বাস্থ্য বিভাগ তাকে সুস্থ বলে ছাড়পত্র দেয়। এর ফলে শায়েস্তাগঞ্জের একমাত্র করোনা রোগী সুস্থ হওয়ায় করোনামুক্ত হলো উপজেলা।

হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। করোনা থেকে মুক্ত হওয়া আব্দুল ওয়াহেদ রাজা হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজে স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের চরহামুয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্পর্কে রাজা জানান, নমুনায় পজিটিভ আসার পর থেকে বাড়িতে তিনি একা একটি রুমে ছিলেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে প্রতিদিন ৪ বার গরম পানির ঘারগিল করেছেন। ৪-৫ বার আদা দিয়ে রং চা খেয়েছেন। আর প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি জাতীয় ফল খেয়েছেন। এ কারণেই বাড়িতে থেকেই তিনি সুস্থ হন।

রাজা আরও জানায়, কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে ভয় পাবার কিছু নেই। মনে প্রচন্ড মনোবল, সাহস আর নিয়মিত গরম পানি ব্যবহার করলে সুস্থ হয়ে উঠবেন রোগী।

রাজার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডার মো. আল আমিন ইমরান বলেন, রাজার করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে সে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করায় তাড়াড়াড়ি সুস্থ হয়েছে। ৬ জুন ঢাকার পিসিআর ল্যাব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার থেকে রাজার সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। তাই স্বাস্থ্য বিভাগ তাকে সুস্থ ঘোষণা করেছে।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমী আক্তার বলেন, নমুনা পরীক্ষা করানোর পর একাধিকবার তার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাই তাকে স্বাস্থ্য বিভাগ সুস্থ ঘোষণা করেছে। তাদের বাড়ি থেকে লকডাউন উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। রাজা উপজেলার মধ্যে একমাত্র করোনা পজিটিভ ছিল। সে সুস্থ হওয়াতে করোনামুক্ত হলো শায়েস্তাগঞ্জ।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলের ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। ২১ মে রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে।