সংবাদ শিরোনাম
এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আসামিদের পক্ষে দাঁড়াননি কোনো আইনজীবী | করোনায় জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শামসুল হকের মৃত্যু | শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের উপহার পাঠালেন মমতা ব্যানার্জি | সমঝোতা হয়নি, আপাতত টাইগারদের শ্রীলংকা সফর হচ্ছে না | হাসিনা-মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | পাকিস্তানে নওয়াজ শরিফের ভাই শেহবাজ গ্রেফতার | গ্রীসে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মমিন ও শাহীনকে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় | মির্জাপুরে টিনশেট নামাতে গিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্টে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু | বগুড়ায় ৭৪ পাউন্ডের কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন | সাতক্ষীরায় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবিকা নির্বাহের উপকরণ দিল নৌবাহিনী |
  • আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমকে হত্যা করেছে পাক সেনাবাহিনী?

২:১৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ৮, ২০২০ আন্তর্জাতিক
da

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে দু’দিন ধরে খবর ঘুরছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। বিষয়টির সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি, এর মধ্যেই এলো নতুন খবর- দাউদ করোনায় নয়, বরং প্রাণ হারিয়েছেন পাকিস্তানি সেনাদের বিষাক্ত ইনজেকশনে। এমনটি দাবি করেছে লন্ডনের একটি প্রভাবশালী সংবাদপত্র।

ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে রবিবার সংবাদপত্রটিতে এই খবর প্রকাশ হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, করাচিতে কঠোর নিরাপত্তায় মোড়া ডনের আড্ডায় কয়েক মাস আগে এই অভিযানটি চালিয়েছিল সেনা বাহিনীর চিকিৎসক শাখা। যে ভাবে হঠাৎ একের পর এক অঙ্গ বিকল হয়ে দাউদের মৃত্যু হয়েছে, তা থেকে মনে হয়েছে— সম্ভবত কোনও বিষাক্ত রাসায়নিক ইঞ্জেকশন করা হয়েছিল তার দেহে।

শনিবার দাউদের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরে তার ভাই আনিস ইব্রাহিম মুম্বইয়ের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছে, ‘ভাই’ (দাউদ) এবং তার ডান হাত ছোটা শাকিল সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে।

লন্ডনের সংবাদপত্রটিকে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর নির্দেশেই আনিস এই বার্তা পাঠিয়েছে। কারণ দাউদের পরিবারকে ডনের মৃত্যুসংবাদ অস্বীকার করার নির্দেশই দিয়েছে আইএসআই।

সংবাদমাধ্যমটির দাবি, ২০১৭ থেকে দাউদকে ঝেড়ে ফেলতে তৎপর হয় পাকিস্তানে শাসন ক্ষমতার অন্যতম নিয়ন্ত্রক সেনা বাহিনীর একাংশ। তখন থেকেই দাউদকে হত্যার পরিকল্পনা সাজানো শুরু হয়। তাদের সূত্রও জানিয়েছে, মূলত মার্কিন চাপেই এই সিদ্ধান্ত। বহু মার্কিন নাগরিককে হত্যায় অভিযুক্ত দাউদকে করাচি-ছাড়া করার জন্য পাকিস্তানের ওপরে চাপ দিচ্ছিল আমেরিকা।

ভারতও দাউদ ও পশ্চিম এশিয়ার নানা জায়গায় থাকা তার আত্মীয় স্বজনদের বিষয়ে মার্কিন এবং অন্য কয়েকটি দেশের গুপ্তচর সংস্থাকে সমানে গোয়েন্দা রিপোর্ট সরবরাহ করে গোপন অভিযানের জন্য চাপ বাড়াচ্ছিল।

অ্যাবটাবাদের আড্ডায় মার্কিন অভিযানে বিন লাদেনের মৃ্ত্যুর পরে যে ভাবে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি ধাক্কা খেয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি চায়নি বলেই পাক সেনা বাহিনী দাউদের হাত থেকে ‘নিষ্কৃতির’ পরিকল্পনা করেছিল বলে গোয়েন্দা সূত্র লন্ডনের সংবাদপত্রটিকে জানিয়েছে। তাই তারা দাউদকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ জগতে তার প্রভাব আটকাতে মৃত্যুসংবাদ গোপনের কৌশল নেয়।

তবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা রবিবার আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, দাউদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট খবর তাঁদের কাছে নেই।

সূত্র : আনন্দবাজার