বিদ্যুত-গ্যাসের বকেয়া বিল ৩০ জুনের মধ্যে না দিলে জরিমানা: প্রতিমন্ত্রী

১১:০০ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুন ১১, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতে গ্যাস ও বিদ্যুত বিলের বিলম্ব মাশুল মওকুফ করা আগামী ৩০ জুনের পরে আর বাড়ছে না এবং এর মধ্যে এসব বকেয়া বিল না দিলে জরিমানা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

আজ পেশ হতে যাওয়া আসন্ন জাতীয় বাজেটে বিদ্যুত, খনিজ ও জ্বালানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সম্পর্কে গতকাল বুধবার (১০ জুন) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

এরআগে, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটি শুরুর ঠিক আগে, গত ২২ মার্চ বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছিল যে জুন মাস অবধি বাসা বাড়ির গ্রাহকদের বিদ্যুত ও গ্যাস ব্যবহারের বিলম্বিত বিল পরিশোধে কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না।

এ বিষয়ে ওইসময় পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল বিদ্যুত বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

নসরুল হামিদ বলেন, বকেয়া বিল জমা দেয়ার সময় আর বাড়ছে না। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে হবে। কেননা মন্ত্রণালয় বিশাল পরিমানের বকেয়া টেনে নিতে পারছে না। এ সময়ের একদিন পার হলেই সারচার্জ দেয়া লাগবে।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করার সময় তিনি বলেন, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন কাউকেই এ সময়ের পরে জরিমানা ছাড়া বকেয়া জমা দিতে দেয়া হবে না।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছরে বিদ্যুত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মোট ৩০ হাজার ৭৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে।

এরমধ্যে বিদ্যুত বিভাগের উন্নয়নে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৯৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। যার মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আসবে ২৪ হাজার ৮০৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, ইসিএ অর্থায়নে এক হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা (বৈদেশিক ঋণ) এবং বিদ্যুত বিভাগ নিজস্ব অর্থায়ন থেকে আসবে ৯৫৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

এদিকে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মোট বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে ৩ হাজার ১৩৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যার মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আসবে ১৮৩৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা, গ্যাস উন্নয়ন তহবিল (জিডিএফ) থেকে ২৬০ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং নিজস্ব অর্থায়নে এক হাজার ৪২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।