সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি, মোদিকে দুষলেন রাহুল | ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন বাহরাইনের যুবরাজ | ভারতসহ তিন দেশের নাগরিকদের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা | আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে ‘হিডেন হিরো’ উপাধি পেল ঝিনাইগাতীর মোশারফ | মানিকগঞ্জে নতুন আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত | হাতীবান্ধায় উপ-নির্বাচনে ১০ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল | বাগেরহাটে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ৩ লাখ বাটা পোনা অবমুক্ত | সাওতাল কিশোরীকে ধর্ষণ, বিমান ও সেনা সদস্যসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা | ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে নৌকায় তুলে ধর্ষণ! ধর্ষক গ্রেফতার | ‘দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
  • আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মোবাইলে কথা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়ছে

৬:১৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুন ১১, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
mobile_corona

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর কর আরেক দফা বাড়িয়েছে সরকার। এই দফায় সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা গত বছরও একই হারে বাড়ানো হয়েছিল। ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস পাঠানো এবং ডেটা ব্যবহারের খরচও বেড়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটে মোবাইল খরচে নতুন করে এই কর বাড়ানো হয়। বাজেটের কর প্রস্তাব ঘোষণার পরপরই কার্যকর হয়। ফলে বাড়তি কর টেলিযোগাযোগ কোম্পানি নিজেরা বহন না করলে গ্রাহকদের ওপরই পড়বে।

নতুন করহারে মোবাইল সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ১৫ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ ও সারচার্জ ১ শতাংশ। ফলে মোট করভার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

মোবাইল সেবার ওপর কর প্রায় প্রতিবছরই বাড়ে। এনবিআর ও মোবাইল অপারেটরদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোবাইল সেবার ওপর ১ শতাংশ সারসার্জ আরোপ করা হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আরোপ হয় ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট ও ৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। আর চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সম্পূরক শুল্ক আরও বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়লে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কেউ যদি ১০০ টাকার সেবা নিতে চান, তাহলে ৭৫ দশমিক শূন্য ৩ টাকার সেবা নিতে পারবেন। ২৪ দশমিক ৯৭ টাকা যাবে সরকারের পকেটে।

বিটিআরসির সবশেষ মার্চ মাসের হিসেবে, বর্তমানে দেশে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার। আর ইন্টারনেট গ্রাহক ১০ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজার।