‘রেড জোন’ এলাকায় মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ

৬:২৫ অপরাহ্ণ | শনিবার, জুন ১৩, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মহামারি করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষিত এলাকাসমূহের সর্বসাধারণকে ইবাদত বা উপাসনা নিজ নিজ ঘরে করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ফলে মসজিদ কিংবা অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সমবেত হয়ে প্রার্থনা করা যাবে না।

শনিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জারিকৃত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে রেড ডোন এলাকায় মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে সর্বসাধারণের আগমন বন্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সকলের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে সাধারণ জনসাধারণের মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ইবাদত/উপাসনার নির্দেশ প্রদান করা হল।

এছাড়া রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোয় মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম ব্যতীত অন্য সব মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করতে হবে।

জরুরি ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও কয়েকটি নির্দেশনা দেয়া হয়। সেগুলো হল-

রেড জোন এলাকায় মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে অনধিক ৫ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন অংশ নেয়া যাবে। জনস্বার্থে বাহিরের কোনো মুসল্লি মসজিদের ভেতরে জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

একইসঙ্গে এসব এলাকায় অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের স্ব স্ব উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। এ সময়ে সারা দেশে কোথাও ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগি তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না।

অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা এ সময়ে কোন ধর্মীয় বা সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের জন্য সমবেত হতে পারবে না।

সংশ্লিষ্ট ধমীয় কোনো প্রতিষ্ঠানে এ সরকারি নির্দেশ লংঘিত হলে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে জানানো হয়েছে।