পাপুলকে নিয়ে নতুন রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে

৯:৪৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, জুন ১৫, ২০২০ আলোচিত
papul

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কুয়েতে অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে আটক বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও তার সহযোগীর জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

জিজ্ঞাসাবাদের পর দেশটির পুলিশ ৭ শীর্ষ কর্মকর্তাসহ তিন সরকারি কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পায় বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম আরব টাইমস অনলাইন। ওই কর্মকর্তারা ঘুষ এবং উপহারের বিনিময়ে তাকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে নিয়ে নতুন নতুন রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমটি।

কুয়েতের তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের কর্মকর্তারা সেখানকার সরকারি দরপত্র কমিটি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা বাংলাদেশের নাগরিকের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ঘুষ ও উপহার নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছেন।

বাংলাদেশের এমপিকে আটকের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও শনিবার কুয়েতের উপপ্রধানমন্ত্রী আনাস আল সালেহ বলেছেন, দেশে সবচেয়ে বড় মানব পাচার চক্রের হোতা এশিয়ার একটি দেশের নাগরিককে আটক করা হয়েছে। মানব পাচারের অভিযোগের তদন্তে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তি যে–ই হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। কাউকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। উপপ্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন আনাস আল সালেহ।

এদিকে কাজী পাপুলের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ১১ প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের অভিযোগ, ভিসা ও আকামা নবায়নের নামে তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিলেন কাজী পাপুল।

সুত্রের বরাত দিয়ে আরব টাইমস জানিয়েছে, তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের কয়েকটি ব্যাংকে কয়েক লাখ কুয়েতি দিনার হস্তান্তর করেছেন। অর্থ ও মানবপাচারের মামলায় নাম উঠে আসার পর কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষও দেন তিনি।