• আজ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘করোনা দুই-তিন বছর থাকবে, এমন বক্তব্য কাণ্ডজ্ঞানহীন’- কাদের

৩:২৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২০ জাতীয়
kader

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশে আরো দুই তিন বছর করোনাভাইরাস সংক্রমণ চলবে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যে অনুমান করা হয়েছে সেটিকে অদূরদর্শী এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে অভিহিত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার(১৯ জুন) সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ক্ষোভের কথা জানান তিনি। আগামীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকারও পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার যখন দিন-রাত পরিশ্রম করে মানুষের মনোবল চাঙ্গা রাখার জন্য প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। করোনা যোদ্ধাদের প্রতিনিয়ত সাহস দিচ্ছেন। তখন করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে স্বাস্থ্যবিভাগের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তার অদূরদর্শী ও কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশা তৈরি করছে। আমি এ ধরনের সমন্বয়হীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য থেকে নিজেদের বিরত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। স্পর্শকাতর এ সময়ে দায়িত্বশীল পদে থেকে যে কারো দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রাখা মোটেও সমীচীন নয়।

তিনি বলেন, করোনার এ সংকটে সম্মুখভাগের যোদ্ধাদের অনেকেই দেশ-জাতির সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। এ পরিস্থিতিতে খুলনায় একজন চিকিৎসক হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। এ হত্যার তীব্র নিন্দা এবং নিহত চিকিৎসকের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ওবায়দুল কাদের।

এ সংকটে চিকিৎসকসহ সম্মুখযোদ্ধা ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না, অন্যায়কারী যত ক্ষমতাবানই হোক তার রেহাই নেই।

প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংক্রমণের বর্তমান পর্যায়ে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের আশার শেষ ঠিকানা চেতনার বাতিঘর শেখ হাসিনা দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করছেন। তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নেতাকর্মীরা অতীতের মতো সাহসী ও মানবিক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জোনভিত্তিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরপরই দ্রুত এবং কার্যকরভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে, প্রতিষ্ঠা করতে হবে সুসমন্বয়। সঠিক সমন্বয় সাধন সম্ভব হলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়। আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিবিড় মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শক্তিশালী টিমওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।’