• আজ সোমবার, ৫ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

জনগণের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন শামীম ওসমান

samim
❏ শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২০ ঢাকা

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জের ডিএনডি বাঁধের ভেতরসহ বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক জলাবদ্ধতা। পানিতে তলিয়ে যায় বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। কোথাও হাঁটু থেকে কোমর পানি পর্যন্ত পেরিয়ে চলাচল করতে হয় এসব এলাকার বাসিন্দাদের। ভোগান্তিতে পড়েন কয়েক লাখ মানুষ।

এমন অবস্থায় জনগণের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে‌ছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আস‌নের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। একই সঙ্গে দ্রুত জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ রাই‌ফেল ক্লা‌বে এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে ক্ষমা চেয়ে এসব কথা ব‌লেন শামীম ওসামন।

তিনি বলেন, ডিএনডির পুরো এলাকা পানির নিচে। এখানে যদি কোনো করোনা আক্রান্ত লোক থুথু ফেলেন তাহলে সবার মধ্যে জীবাণু ছড়াবে। সেনাবাহিনী ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ডিএনডির পাম্প চালুর চেষ্টা চলছে। আজকের মধ্যেই সেনাবাহিনী উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দুটি পাম্প চালু করে পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করবে। দ্রুত সময়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

শামীম ওসমান বলেন, যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন সেটি বরাদ্দ হলে ডিএনডির প্রকল্প হাতিরঝিলের চেয়েও মনোমুগ্ধকর করে গড়ে তোলা যাবে। এতে প্রায় ২০ লাখ মানুষ স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা থেকে রেহাই পাবেন।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডের প্রো-অ্যাকটিভ ও আল বারাকা হাসপাতালে আইসিইউ বেড রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সব হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের সেবা দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতাল এটাকে বাণিজ্য হিসেবে নিয়েছে। যদি আগামী সপ্তাহের মধ্যে এখানে করোনা রোগীদের সেবা দেয়া না হয় তাহলে আগামী সোমবার আমি সাংবাদিকদের নিয়ে সেখানে যাব। যা যা করা দরকার করব। নারায়ণগঞ্জবাসী চিকিৎসার অভাবে মরতে পারে না। মৃত্যু হলে কেউ বাঁচাতে পারবে না। চিকিৎসা পেলে অন্তত বলতে পারবে হায়াত ছিল না।

এদিকে, জলাবদ্ধতা নিরসনে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ২০১৭ সালের অক্টোবরে ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিরসনে পাম্প হাউস স্থাপন, খাল খনন ও কালভার্টসহ বিভিন্ন কাজের জন্য ৫শ’ ৫৮ কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী। চলতি বছরে প্রকল্পের কাজ আরো সুন্দর করতে, আরও ৭শ’ ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়। যা পরিকল্পনা কমিশনে একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন