সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তিস্তার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

৪:৩২ অপরাহ্ণ | শনিবার, জুন ২০, ২০২০ দেশের খবর, রংপুর

সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর- ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে রংপুর অঞ্চলের তিস্তা চর অঞ্চল গুলোতে আগাম বন্যা ও জলাবন্ধতা দেখা দিয়েছে, হয়েছে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। এদিকে তিস্তার পারের মানুষ বন্যার আশঙ্কা করছেন। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তিস্তায় দেখা দিয়ে তীব্র ভাঙ্গন।

শনিবার সকাল ৯ টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটর উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।

তবে দুপুরের পর পানি কমতে শুরু করে। পানি কমে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে ব্যারাজ রক্ষার্থে ৪৪টি জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছেন পানি উন্নায়ন বোর্ড।

জানা গেছে, গত ৩দিন ধরে ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলের কারণে তিস্তা নদীর চর এলাকা গুলোতে লোকজন পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধিতে চরের কৃষকরা ফসল নিয়ে বিপাকে আছেন। উজানের পানি ও ভারী বর্ষণের কারণে তিস্তায় দেখা দিয়েছে বন্যা। এদিকে রংপুরের তিস্তার কাউনিয়া, গংগাচড়া, নোহালী, কচুয়ার ৪ শতাধিক পরিবার পানি বন্দী হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানগন জানিয়েছেন।

গংগাচড়ারর নোহালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালঅম আজাদ জানান, পরিবারগুলো নদীর পানি বৃদ্ধিতে প্রতিনিয়তেই দুর্ভোগে পরেন। নতুন করে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরো জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ভাঙ্গনের বিষয়টি জানানোর পরেও কোন কাজ হচ্ছে না।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র কর্মকতা মেহেদী হাসান বলেন, বৃষ্টি আর উজানের ঢলের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চর এলাকার কিছু পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। পানি শনিবার সকাল ৬টায় বিপদসীমার ২০ সে:মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, আমরা ভাঙ্গন রোধে কাজ করছি।