সংবাদ শিরোনাম
অ্যাটর্নি জেনারেল ভেন্টিলেশন সাপোর্টে, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা | চাকরি হারাচ্ছেন মাদকাসক্ত ২৬ পুলিশ সদস্য | করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | টাঙ্গাইলে আল্লামা আলাউদ্দিন জিহাদীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন | ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ | সিলেটে ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রলীগের সাইফুরের বিরুদ্ধে মামলা | ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চীনের তৈরি করোনার ভ্যাকসিনে অগ্রাধিকার পাবে বাংলাদেশ

১০:৫২ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, জুন ২২, ২০২০ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সফলভাবে কোনো ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছে চীন।

ঢাকার চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান রবিবার বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে।’

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও চীন নিবিড়ভাবে কাজ করছে।’ করোনাভাইরাসটির ভ্যাকসিন তৈরির জন্য পাঁচটি চীনা সংস্থা কাজ করছে বলে জানান তিনি।

চাইনিজ একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সেসের অধীনে ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজি উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘ক্লিনিকাল ট্রায়ালে’ আছে বলে শনিবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ডেইলি।

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশে ভ্যাকসিনটির দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়াল পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যায়ে ভ্যাকসিনটির মানুষের মধ্যে প্রয়োগ করে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও এর সুরক্ষা বিষয়টি আরও বিশদভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

সংবাদ সংস্থা সিংহুয়া অনুসারে, সেদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে বিশ্বব্যাপী ক্লিনিকাল ট্রায়ালে থাকা মোট ভ্যাকসিনের ৪০ শতাংশ চীনের। চীনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের জন্য এখন পর্যন্ত পাঁচটি ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে থাকায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন।

দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায়, চীনের প্রেসিডেন্ট কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সত্যিকারের বন্ধু হিসাবে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিন চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা শনান্ত হলেও অচেনা ভাইরাসটি সেখানে ভয়াবহ আকার ধারণ করে ফেব্রুয়ারিতে। চীনে ভয়াবহ আকার ধারণ করা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চীনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে চীনকে ১০ লাখ হাতমোজা, পাঁচ লাখ মাস্ক, এক লাখ ৫০ হাজার ক্যাপ, এক লাখ হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ৫০ হাজার জুতার কাভার ও আট হাজার গাউন উপহার দেয় বাংলাদেশ। চীনও বাংলাদেশকে কোভিড শনাক্ত করার কিটস বা উপকরণ দিচ্ছে।