সংবাদ শিরোনাম
সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী | সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ৯ বছরে ৯ বিয়ে! অপেক্ষায় আরও ৪ | ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনর্নিয়োগ অনৈতিক ও বিধিবহির্ভূত: টিআইবি | চরফ্যাসনে ফার্মেসীতে র‍্যাবের অভিযান, দোকান বন্ধ করে পালাল ব্যবসায়ীরা | ইউএনও ওয়াহিদা ও তার স্বামীকে ঢাকায় বদলি | সবুজপাতা সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপসের উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী | ট্রাকচাপায় ছাগল মারা যাওয়ায় চালককে পিটিয়ে হত্যা | হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু | রংপুরে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা | ১৯ বছরেই সফল ডিজিটাল মার্কেটার তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী তুহিন |
  • আজ ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘খয়রাতি’ ইস্যুতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলো আনন্দবাজার পত্রিকা

১:৪২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- বাংলাদেশি পণ্যে বেইজিং-এর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের ঘটনাকে ‘খয়রাতি’ আখ্যা দিয়ে তোপের মুখে পড়েছিল কলকাতা ভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকা। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে তারা।

আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওই পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সনের চতুর্থ পৃষ্ঠায় ‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

ভ্রম সংশোধন শিরোনামে লিখেছে ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’- শীর্ষক খবরে খয়রাতি শব্দের ব্যবহারে অনেক পাঠক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’

ভারত-চীন চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বেইজিং-এর কাছে ৯৭ শতাংশ বা ৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে এ বাণিজ্য সুবিধা কার্যকর হবে।

গত শনিবার (২০ জুন) ‘লাদাখের পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেজিং’ শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ঢাকাকে দেওয়া চীনের বাণিজ্য সুবিধার কথা বলতে গিয়ে ‘খয়রাতি’ শব্দটি ব্যবহার করে আনন্দবাজার পত্রিকা। এতে আহত হয় বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক সমাজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ক্ষোভ আর তীব্র প্রতিবাদ হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও কলকাতাভিত্তিক ওই পত্রিকার অবস্থানের সমালোচনা করা হয়।

এদিকে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে একদিন পর ২১ জুন আনন্দবাজার পত্রিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি কুদ্দুস আফ্রাদ জানান এই প্রতিবেদন তিনি পাঠাননি।

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই, এ রিপোর্ট আমার লেখা নয়। আমি নিজে এ রিপোর্টের প্রতিবাদ জানাচ্ছি’। বিষয়টি আনন্দবাজার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন বলেও জানান কুদ্দুস আফ্রাদ।

অবশেষে আজ মঙ্গলবার আনন্দবাজার পত্রিকা ‘ভ্রম সংশোধন’ শিরোনামে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলো।