প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের কারণেই করোনায় মৃত্যুর হার কম: সংসদে তথ্যমন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার কম বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “করোনাভাইরাসের ফলে পৃথিবীতে যে কয়টি দেশে মৃত্যুর হার কম তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার সারা পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর চেয়ে কমতো বটেই ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও কম।

“আমাদের সীমিত সম্পদ, সীমিত সামর্থ্য দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিবা-নিশি কাজ করে যেভাবে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন এই কারণেই আমাদের দেশে মৃত্যুর হার অনেক কম। জনগণ যদি আরো সচেতন হয় এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, আক্রান্তের হার কমবে এবং একই সাথে মৃত্যুর হারও আরো অনেক কমবে।”

তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সারাবিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেছে এবং এ পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি সাহসী বাজেট ঘোষণা করেছেন। একটু আগে বক্তৃতায় বিরোধীদলীয় এমপি হারুনর রশিদ বলছিলেন এ বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা আছে কিনা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত ১১ বছর ধরে শুনে আসছি প্রতিবার বাজেট পেশের পর বিএনপি ও তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে সমমনা দল এবং কিছু প্রতিষ্ঠান সমালোচনা করে। সমালোচনা না করলে মনে করে যে তাদের পাণ্ডিত্য ফলানো হচ্ছে না। পাণ্ডিত্য ফলানোর জন্য তারা সব সময় বলেন যে এ বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে গত ১১ বছরে বাজেট বাস্তবায়নের হার হচ্ছে ৯৫ থেকে ৯৭, ৯৮ শতাংশ। প্রতি বাজেটের পর বিএনপিসহ কয়েকটি দল আর কিছু বুদ্ধিজীবী বলেন এটি উচ্চাবিলাষী। এবারও একই কথা বলা হয়েছে। এই বাজেট উচ্চাভিলাষী, বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যদি উচ্চাভিলাষ না থাকে, তাহলে সে অভিলাষ পূরণের তাগাদা থাকে না, অভিলাষ পূরণের জন্য প্রচেষ্টা থাকে না।

তিনি বলেন, অভিলাষ গত ১১ বছর ধরে ছিল বিধায় আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে, মানুষের মাথাপিছু আয় ৬০০ থেকে ২০০৯ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। জিডিপির আকার পাঁচগুণ বেড়েছে, বাজেট ছয় গুণ বেড়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি (বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনর রশিদ) বলেছেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি হয়তো বাজেটটি ঠিকমতো পড়েননি। যদি পড়তেন তাহলে উনি এ কথা বলতেন না। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটের ১৬ শতাংশের বেশি এবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন