সংবাদ শিরোনাম
ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর | টাঙ্গাইলে বন্যায় সড়ক বিভাগের ৬০ কিলোমিটার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি | এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, ছাত্রলীগের যাদের খুঁজছে পুলিশ | মসজিদে নামাজ পড়তে আসলেই উপহার পাচ্ছে শিশুরা | স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামি মিজান গ্রেফতার | করোনায় বিশ্বে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে: ডব্লিউএইচও | এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে বেধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফুটবল খেলছেন মমতাজ!

১০:২৪ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, জুন ২৪, ২০২০ বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক- জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ ফুটবল খেলছেন। বিষয়টি শুনে চমকে ওঠার মতো হলেও আসলেই ফুটবল খেলেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ঘুড়ি ‍উড়িয়েও সময় পার করছেন মমতাজ।

রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে থাকেন মমতাজ। করোনাভাইরাসের কারণে এক রকম গৃহবন্দী থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন মমতাজ। মমতাজের সন্তানেরাও চাচ্ছিল শহরের কোলাহল থেকে দূরে যেতে। তাই গত বৃহস্পতিবার মমতাজ চলে যান তার গ্রামের বাড়ি ও সংসদীয় এলাকা মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে। সেখানে তিনি ফুটবল খেলে, ঘুড়ি উড়িয়েও সময় কাটাচ্ছেন।

মমতাজ বলেন, ‘বদ্ধ জায়গায় যত সুযোগ-সুবিধাই থাকুক না কেন, একটা সময় অস্থিরতা আসবেই। বাসার সবাই অস্থির হয়ে গেছে। গ্রামে যেহেতু খোলামেলা জায়গা আছে, ভাবলাম, আমার বাচ্চারা এই খোলামেলা জায়গায় ভালোই থাকবে। তা না হলে মানসিকভাবে তারা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে মিলে ফুটবল খেলছি, ঘুড়ি ওড়াচ্ছি। আমার বাড়ির পাশেই নার্সারি, সেখান থেকে ফলের গাছ এনে লাগিয়েছি।’

মমতাজ জানান, তাঁর সন্তানেরা গ্রামের বাড়িতে ভীষণ মজা করছে। সপ্তাহখানেক পার হয়ে গেলেও ঢাকায় ফেরা নিয়ে কেউ কিছুই বলছে না। তাদের ভালো লাগছে দেখে, তিনিও খুশি। ঢাকায় ফেরা নির্ভর করছে তাদের ওপর।

১০ জুন সর্বশেষ সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন মমতাজ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনার কারণে সংসদ অধিবেশনও ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সব সাংসদের একসঙ্গে থাকতে হচ্ছে না। যেদিন অধিবেশন, তার আগের দিন জানিয়ে দেওয়া হয়। আমাকে জানিয়ে দিলেই চলে যাব, শেষ করে আবার গ্রামে চলে আসব।

মমতাজ বলেন, গ্রামে সন্তানেরা আনন্দে আছে। আমি সেখানে জানার পর এলাকার মানুষেরাও স্বস্তি অনুভব করছে। সাংসদ হিসেবে এমনিতেও এলাকার খবর রাখতে হয়, ভাবলাম এলাকার মানুষের কাছেই থাকি। কোনো কিছু হলেই সবাই ফোনে যোগাযোগ করছেন।