টাঙ্গাইলে সাংবাদিকসহ নতুন পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত

৭:৩৯ অপরাহ্ণ | বুধবার, জুন ২৪, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলে সময় টিভির টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি কাদির তালুকদার ও তার বাবা ফজলুল হক তালুকদারসহ নতুন করে ৫ জন করোনায়া আক্রান্ত হয়েছেন।

এর আগে সাংবাদিক কাদির তালুকদারের স্ত্রী শাহিদা বেগমও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় তিনজন আর মির্জাপুর ও বাসাইলে একজন করে রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৪৬ জন।

বুধবার (২৪ জুন) তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান।

তিনি বলেন, গত ১৬ তারিখে পাঠানো নমুনা থেকে বুধবার সকালে নতুন করে পাঁচজনের করোনা পজিটিভ হওয়ার ফলাফল আসে। এখন ঢাকায় ফলাফল আটকে আছে ১০৬০টি। এছাড়াও বুধবারের ৮০টিসহ জেলায় এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৭৮৩১টি। সুস্থ হয়েছেন ১৫৫জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৯ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১৯০৮ জন।

তবে এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত সাংবাদিক কাদির তালুকদারের অভিযোগ, গত ৭ জুন গাইনী সমস্যা জনিত কারণে তার স্ত্রী শাহিদা বেগমকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা। তবে অপারেশন করার প্রয়োজনে চিকিৎসক তার করোনা পরীক্ষা করার তাগিদ দেন। এ কারণে তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

তবে করোনার নমুনা ফলাফল না আসায় তার স্ত্রীর অপারেশন বন্ধ রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর ১৪ জুন তার স্ত্রীর নমুনার ফলাফল আসে পজিটিভ। এ কারণে ১৫জুন তার স্ত্রী সংস্পর্শে থাকায় তার, বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে ও তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়।  আজ ২৪ জুন ৯ দিন পর তাদের সংগ্রহকৃত নমুনার ফলাফলে সে ও তার বাবার করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া তার ২০ বছরের ছেলে সিয়াম ও ৭ বছরের মেয়ে কথাসহ তার মায়ের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়নি। এই দীর্ঘদিন সময় পরে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসায় স্বাস্থ্য বিভাগের দায়-দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ঢাকায় প্রচুর চাপ থাকার কারণে নমুনার ফলাফল আসতে একটু সময় লাগছে। স্বাস্থ্য বিভাগের দায় দায়িত্ব নিয়ে উঠা প্রশ্নে তিনি বলেন, স্যাম্পল দেয়ার পর আর ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত অবশ্যয় প্রতিটি ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।