সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি, মোদিকে দুষলেন রাহুল | ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন বাহরাইনের যুবরাজ | ভারতসহ তিন দেশের নাগরিকদের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা | আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে ‘হিডেন হিরো’ উপাধি পেল ঝিনাইগাতীর মোশারফ | মানিকগঞ্জে নতুন আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত | হাতীবান্ধায় উপ-নির্বাচনে ১০ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল | বাগেরহাটে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ৩ লাখ বাটা পোনা অবমুক্ত | সাওতাল কিশোরীকে ধর্ষণ, বিমান ও সেনা সদস্যসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা | ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে নৌকায় তুলে ধর্ষণ! ধর্ষক গ্রেফতার | ‘দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
  • আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এবার ভারতকে পানি দেয়া বন্ধ করল ভুটান

২:৪৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নেপাল, চীন আর পাকিস্তান। এই তিন প্রতিবেশীর সম্পর্ক খারাপ করে বেকায়দায় ভারত। সেই পালে এবার হাওয়া দিচ্ছে আরেক প্রতিবেশী দেশ ভুটানও।

ভারতের দাবি, সীমান্তে একের পর এক বেআইনি কাজ করছে চীন ও নেপাল। চীনের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন ভারতের ২০ সেনা। ওদিকে বিহারের লাগোয়া সীমান্তে নেপাল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন সাধারণ এক ব্যক্তি। গুরুতর আহত হয়েছিলেন আরও তিনজন। সুত্র: জি নিউজ

চীন ও নেপালের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এবার ভারতকে বেকায়দায় ফেলছে ভুটান। আড়ালে-আবডালে ভারতীয় চাষিদের পানি দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি।

আসামের বাকসা জেলা দিয়ে প্রবাহিত চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকরা চাষের জন্য পানি পেতেন এতদিন। কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছিল সেই সেচ চ্যানেল। স্থানীয় ভাষায় যাকে বলা হয় ডং। আসামের বাকসা জেলার ২৬টি গ্রামের বহু কৃষক ওই চ্যানেলের পানির উপর নির্ভরশীল।

১৯৫৩ সাল থেকে এই চ্যানেলের মাধ্যমে ভুটান থেকে পানি আসে। কিন্তু হঠাৎ করেই ওই চ্যানেলের প্রবাহ আটকে দিয়েছে ভুটান। ফলে মহা সমস্যায় পড়েছেন ভারতের বাকসা জেলার ২৬টি গ্রামের চাষিরা। চাষবাসের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সেখানে।

ভুটান সরকার অবশ্য কোনো কারণ উল্লেখ করেনি। কেন চ্যানেলের পানির প্রবাহ বন্ধ করা হয়েছে তা নিয়েও কোনো কথা বলছে না ভুটানের প্রশাসন। কিন্তু ইতিমধ্যে বাকসা জেলার চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।

ওই জেলার কৃষকরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন। কালিপুর, বোগাজুলি ও কালানদী অঞ্চলের ডং বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সমিতির ব্যানারে জেলার কৃষকরা নিজেদের বিক্ষোভ ও দাবির কথা লিখে তুলে ধরেছেন।

বাকসা জেলার প্রশাসন ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ব্যাপারটি নিয়ে আবেদন করেছে।