• আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টাকা নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা ৩ প্রতারক

৫:৪৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন

সাইফুল ইসলাম মুকুল, রংপুর- রংপুরের রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভুয়া চাকরি দেয়া সিন্ডিকেটে প্রতারক চক্র পাকড়াও হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের পার্কের মোড় থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছে ৩ জন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মামলা করেছে।

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরেরর সহকারী পরিচালক তাবিউর রহমান প্রধান জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে মালি, ক্লিনার ও সুইপার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। করোনা পরিস্থিতিতে তা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। এর কিছুদিন পর আমরা জানতে পারি একটি প্রতারক চক্র ওই নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রতারণার করে একটি কোম্পানীর মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ প্রদানের পাঁয়তারা করছে। এবং প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ওই নিয়োগের নামে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া শুরু করে।

বিষয়টি গোচরে আসায় গত ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি সতর্কিকরণ নোটিশ দেয়া হয়। এবং ১৪ মে তাজহাট থানায় জিডি করে কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষ তৎপর ছিল চক্রটিকে ধরার জন্য। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকের সামনে পার্কের মোড়ে ভুয়া নিয়োগপত্র ও টাকা লেনদেনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্বা প্রহরীদের সহযোগিতায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালযের রেজিষ্টার বাদি হয়ে মামলা করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মহিব্বুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার হওয়া তিন ভুয়া নিয়োগ চক্রের হোতারা হলেন- রংপুরের মিঠাপুকুরের ওসমান গনি, দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের রিজভী এবং ফুলবাড়ির জাহিদুল ইসলাম। তারা বিশ্ববিদ্যালয় গেটের সামনে আসে। একজন চাকরী প্রত্যাশিকে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ৩ লাখ টাকা নেয়। গোয়েন্দা জালের মাধ্যমে তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এসময় তাদের কাছ থেকে একাধিক মোবাইল ও নিয়োগপত্র উদ্ধার করে। এই ভুয়া নিয়োগের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টারের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া অর্থ নিরুপন এবং জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান ইনচার্জ মহিব্বুল ইসলাম।