• আজ সোমবার, ৫ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

‘স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে তা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য’- তথ্যমন্ত্রী

sas
❏ বুধবার, জুলাই ১, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে তাকে ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এভাবেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, গণতন্ত্র এগিয়ে যায়। আমি মনে করি সংসদের আলোচনাটি দায়িত্ব পালনে এবং গণতন্ত্রকে সংগত করার ক্ষেত্রেও সহায়ক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কী করবেন সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই বলতে পারবেন, অন্য কেউ বলার এখতিয়ার রাখে না, বলতে পারবেও না।’

কোনো দেশই করোনা মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোসহ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এবং তাদের অর্থনৈতিক সংগতি আমাদের চেয়ে অনেক ভালো থাকা সত্ত্বেও তারা করোনা মহামারি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারেনি, কারণ এটার জন্য কেউই এমনকি চীনও প্রস্তুত ছিল না।

তিনি বলেন, চীনে যে চিকিৎসক করোনাভাইরাসের বিষয়ে প্রথম সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরে তিনি করোনাক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন। প্রত্যেক দেশেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই পরিস্থিতিতে নানাভাবে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। নেদারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তো এই পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে নিজেই পদত্যাগ করেছেন। জার্মানীর একজন প্রাদেশিক মন্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। আরো অনেক দেশেই এ ঘটনা ঘটেছে।’

আমাদের দেশের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমদিকে যে সমস্ত অসুবিধা ছিল, সমন্বয়েও কিছুটা ঘাটতি ছিল, সেটি এখন আর নেই। এখন অনেক সমন্বিতভাবে এই করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং সেকারণে আমাদের দেশে মৃত্যুর হার পৃথিবীর যে ক’টি দেশে খুব কম তন্মধ্যে একটি।’

‘সরকার পাটখাত ধ্বংস করছে’ ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের এ বক্তব্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপিই পাটখাত ধ্বংস করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল এবং প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। বিএনপি’র আমলে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ’র পরামর্শ অনুযায়ী তারা আদমজীসহ অনেকগুলো জুট মিল বন্ধ করে দিয়েছিল, আবার অনেকগুলো শত শত কোটি টাকা মূল্যের জুট মিল কয়েক কোটি টাকায় ব্যক্তি মালিকানায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল। এটি শুধু খালেদা জিয়া করেছেন তা নয়, জিয়াউর রহমানের আমল থেকে সেটি শুরু হয়েছিল।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বর্তমান সরকার কোনো পাটকল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়নি বরং এই পাট কলগুলো ৪০ বছর ধরে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই লাভ করতে পারেনি এবং শ্রমিকরাও সঠিকভাবে বেতন পাচ্ছিল না। এই পাটখাতকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে এবং এই পাটখাতে উন্নতির জন্য সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের সমস্ত দেনা-পাওনা মিটিয়ে দিয়েই তাদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের আওতায় আনা হচ্ছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন