ফায়ার সার্ভিসের ২০২ কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত

২:০০ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০ জাতীয়

রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২০২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাদের মধ্যে ৪৬ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।

এছাড়া ১৫৬ জন কর্মীকে পর পর দ্বিতীয় দফায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করে ফলাফল নেগেটিভ পাওয়ায় তারা সুস্থ হয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সুত্রে পাওয়া তথ্যমতে, মোট আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ জন সদর দফতর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের, ১৯ জন তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৩৮ জন অধিদফতরের বিভিন্ন শাখার, ১০ জন সদরঘাট ফায়ার স্টেশনের, ১২ জন হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১০ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের, ১২ জন ডি.ই.পি.জেড ফায়ার স্টেশনের (সাভার), ৯ জন সাভার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লালবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের, ২ জন মানিকগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ৩ জন ডেমরা ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ১ জন সোনারগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৭ জন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন পলাশী ফায়ার স্টেশনের, ৬ জন সিলেট ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বড়লেখা ও ১ জন কুলাউড়া ফায়ার স্টেশনের (সিলেট), ১ জন কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ২ জন গাজীপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বাজিতপুর ফায়ার স্টেশনের (কিশোরগঞ্জ), ১ জন নড়াইল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বেনাপোল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মাগুরা ফায়ার স্টেশনের, ১ জন হরিনাকুন্ড ফায়ার স্টেশনের (ঝিনাইদা), ৫ জন ফুলপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টাঙ্গাইল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন সালতা ফায়ার স্টেশনের (ফরিদপুর), ৪ জন রংপুর কন্ট্রোল রুমের, ১ জন ধনুট ফায়ার স্টেশনের (বগুড়া), ১ জন সৈয়দপুর ফায়ার স্টেশনের (নীলফামারী), ১ জন পটিয়া ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লক্ষ্মীপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মাটিরাঙ্গা ফায়ার স্টেশনের, ২ জন কুষ্টিয়া ফায়ার স্টেশনের, ৩ জন বারিধারা ফায়ার স্টেশনের, ২ জন পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের এবং ৭ জন চট্টগ্রাম ফায়ার স্টেশনের কর্মী।

আক্রান্তদের পূর্বাচল মাল্টিপারপাস ফায়ার সার্ভিস সেন্টার ও রূপগঞ্জের ইউসুফগঞ্জ স্কুল (নারায়ণগঞ্জ)-সহ বিভিন্ন স্থানে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।

সরকারি এ সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, আক্রান্তদের সকলকেই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যের উন্নতি না হলে বা অবনতি হলে তাদেরকে সরকারি নিয়ম মেনে আইসোলেশনে রাখা হবে। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে আপাতত তারা সকলেই ভালো আছেন।