সংবাদ শিরোনাম

বিয়ে পাগল স্বামীর গোপনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিলেন স্ত্রী!সিরাজগঞ্জে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও শিশু নিহতটিকা সবাইকে দিয়ে নিই, তারপর আমি নেবো: প্রধানমন্ত্রীসুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ১ জন আটকসংঘর্ষ, গোলাগুলি অতঃপর দুই লাশে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনরংপুরে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯ লাখ টাকা জরিমানানির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হাতীবান্ধায় নববধূকে নির্যাতন, প্রতিবাদ করায় গ্রাম পুলিশকে মারধর

◷ ১০:৪২ পূর্বাহ্ন ৷ সোমবার, জুলাই ৬, ২০২০ দেশের খবর, রংপুর
Ie999

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় প্রেমের বিয়ে মেনে না নেওয়ায় গ্রাম পুলিশসহ স্বামীর বাড়িতে গেলে শশুর শাশুড়ির নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হন মোতাহারা আক্তার সাথী (১৯) নামে এক গৃহবধূ। প্রতিবাদ করায় এসময় পাভেল হোসেন নামে এক গ্রাম পুলিশও আহত হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) রাত ৮ দিকে উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহত দুজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। এ ঘটনায় গ্রাম পাভেল পুলিশ বাদি হয়ে ৪ জনের নামে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

থানায় করা অভিযোগ ও আহতদের কাছ থেকে জানা যায়, উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে মনিরুজ্জামান সুমন (২২) প্রেম করে গত ৫ জানুয়ারী ময়মনসিংহে পালিয়ে বিয়ে করেন পার্শ্ববর্তী নীলফামারীর ডোমার উপজেলার দক্ষিণ ঝুনাগাছ (চাপানী) এলাকার মমতাজ এর মেয়ে মোতাহারা আক্তার সাথীকে। সেখানে একমাস থাকার পর করোনা পরিস্থিতির কারনে সুমন সাথীকে নিয়ে এসে শশুর বাড়ীতে উঠে। কয়েকদিন পর সুমন তার বাবা-মাকে ম্যানেজ করে সাথীকে বাড়িতে নিয়ে আসবে বলে চলে এসে সকল প্ররকা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এভাবে ৭ মাস অতিবাহিত হলে ৪ জুলাই সাথীর পরিবার বিষয়টি গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ আতিয়ার রহমানকে জানান। চেয়ারম্যান সাথীকে তার শশুর বাড়ীতে রেখে রাখার জন্য গ্রাম পুলিশ পাভেল হোসেনকে পাঠিয়ে দেয় কিন্তু মনিরুজ্জামান সুমনের পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম এ বিয়ে মানবেনা বলে সাথীকে বেধড়ক মারধোর করে আহত করেন।

এসময় গ্রাম পুলিশ পাভেল হোসেন বাধা দিলে তারা গ্রাম পুলিশকে বেধড়ক মারধর করে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা সাথী ও গ্রাম পুলিশ পাভেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন আছে। পরে রাতে গ্রাম পুলিশ পাভেল হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে গ্রাম পুলিশকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত সকল প্রকার কর্মবিরতি ঘোষণা করেন গড্ডিমারী ইউপি সকল গ্রাম পুলিশ।

তবে মনিরুজ্জামান সুমনের পিতা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গ্রাম পুলিশ পাভেল হোসেন আমার বাড়ির গেটের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে বাড়িতে ঢুকিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমরা তাদেরকে মারি নাই উল্টো তারাই আমাদেরকে মারধর করেছে।

গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ আতিয়ার রহমান বলেন, রফিকুলের ছেলে মাসুম মেয়েটিকে বিয়ে করে তার শশুর বাড়িতে রেখে আসে। তারা এ বিষয়ে আমাকে অভিযোগ করলে গ্রাম পুলিশ পাভেলসহ মেয়েটিকে তার শশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয় কিন্তু রফিকুল তার ছেলের বউকে বাড়িতে ঢুকতে না দিয়ে উল্টো মেয়েটিসহ গ্রাম পুলিশকে মারধর করে।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি উমর ফারুক বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপুর্ব আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।