• আজ শুক্রবার, ২ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি কমছে, বাড়ছে ভাঙন

nodi
❏ সোমবার, জুলাই ৬, ২০২০ রংপুর

সাইফুল ইসলাম মুকুল,রংপুর: উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি কমছে। এ কারনেই বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। তিস্তা, দুধকুমর ও ব্রহ্মপুত্রের নদীর পানি কমতে শুরু করায় ভাঙন দেখা দিয়েছে ওই সব এলাকাগুলোতে। ধরলা, দুধকুমার এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি প্রবাহ ও বিপদসীমার নিচ দিয়ে থাকায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

কুড়িগ্রাম ধরলা নদী ছাড়া সব নদীর পানি বিপদসীমার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তিস্তার ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে। কাউনিয়া উপজেলার কাউনিয়া ঘাট পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে সদর উপজেলার নুনখাওয়া পয়েন্টে দুধকুমারের পানি ২৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং চিলমারী উপজেলার চিলমারী ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ২২ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত।

এছাড়া, সদর উপজেলার ধরলা ব্রীজ পয়েন্টে ধরলার পানি গত ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে ৩০ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন এবং বন্যাকবলিতদের মধ্যে পানিবাহিত রোগ দেখা দেওয়ার সম্ভনা রয়েছে।

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান জানান, কুড়িগ্রামে বন্যাকবলিত মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে ৮৫টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।এর বাইরেও কোন খারাপ খবর পেলে তাৎক্ষনিক ভাবে আমরা বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.আরিফুল ইসলাম জানান, আরো এক সপ্তাহ দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি এভাবে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করছে। পানি বাড়তে পারে এক সাপ্তাহের মধ্যে।আগামী কাল জুলাই-৭/৮ পর বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা আছে।কুড়িগ্রামের ধরলা,দুধকুমার এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার নিচে থাকায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রসাদ ঘোষ জানান, ভারী বর্ষণে প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করছে। রংপুরের কাউনিয়ার তিস্তা পানি কমতে শুরু করছে। তিস্তার পানি ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর নদী ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগ দিয়ে রোধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন