কোরবানীর পশু পরিবহন করবে রেলওয়ে: রেলমন্ত্রী

nurul
❏ মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির পশু পরিবহন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বললেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রেল ভবনের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে রেল কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পশু ব্যবসায়ী ও খামারিদের পরিবহনের সহযোগিতা করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। অল্প খরচে মাত্র দেড় থেকে দুই হজার টাকায় দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে গরু পরিবহন করা যাবে।

মন্ত্রী বলেন, মিটারগেজের একটি ওয়াগনে ১৬টি গরু এবং ব্রডগেজের একটি ওয়াগনে ২০ থেকে ২৫টি গরু পরিবহন করা যাবে। পশু পরিবহনের চাহিদা অনুযায়ী আমরা এই ট্রেন চালাবো। তবে এর চাহিদাপত্র প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আমাদের জানাবে। যেদিন এই চাহিদাপত্র পাবো সেদিন থেকেই পশু পরিবহনে এসব ট্রেন চলাচল করবে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ এসব অঞ্চল থেকেই পশু ঢাকায় বেশি আসে, তবে রুট এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

আগ্রহী কোরবানির পশু ব্যবসায়ীদের রেলওয়ের কন্ট্রোল নাম্বার এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আম পরিবহনের সুবিধার্থে ইতোপূর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে ঢাকা পর্যন্ত ‘ম্যাংগো স্পেশাল’ নামে ট্রেন চালু করে রেলওয়ে। কেজি প্রতি দুই টাকা ভাড়ায় এ ট্রেনে আম পরিবহন করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, রেলওয়েতে কোরবানীর পশু পরিবহনে আমরা রেল কতৃপক্ষকে প্রস্তাব দিয়েছি। পশু খামারি ও প্রান্তক পর্যায়ের কৃষকের উন্নয়নে ও জীবিকার শর্তে আমরা এ প্রস্তাব দিয়েছি যা রেল কতৃপক্ষ গ্রহণ করেছে। কবে নাগাদ পশু পরিবহনের জন্য ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে ও কারা কারা আগ্রহী সেজন্য আমরা বুধবার মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে সারাদেশের পশু খামরী, পশু ব্যবসায়ী, কৃষকসহ ও এ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে একটি অনলঅইন বৈঠকের আয়োজন করেছি।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৮ সালের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ঢাকায় মালবাহী ট্রেনে করে পশু পরিবহন করে রেলওয়ে, পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।