• আজ মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ২২ জুন, ২০২১ ৷

সদরঘাটে লঞ্চডুবি: ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক গ্রেপ্তার


❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- রাজধানীর সদরঘাট শ্যামবাজারে বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনায় দায়ের মামলার প্রধান আসামি ময়ুর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক সোয়াদকে গ্রেফতার করেছে নৌপুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে রাজধানীর সোবহানবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নৌপুলিশের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে সদরঘাট থানার নৌপুলিশ রাজধানীর সোবহানবাগের তল্লাবাগ এলাকা থেকে মোসাদ্দেক হানিফকে গ্রেপ্তার করে। ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ দুপুরে তাঁকে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল লঞ্চের সুপারভাইজার আব্দুস সালামকে।

মর্নিং বার্ড লঞ্চডুবিতে ৩৪ জন যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় গত ২৯ জুন নৌপুলিশ সদরঘাট থানার উপপরিদর্শক সামশুল আলম বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হানিফকে প্রধান আসাসি করে ৭ জনকে এজাহারভুক্ত করা হয়।

ওই ঘটনায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটি এ তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার নয়টি কারণ চিহ্নিত করে বলা হয়, ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কাতেই মর্নিং বার্ড ডুবে প্রাণহানি ঘটে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিশ দাফ সুপারিশও দিয়েছে তদন্ত কমিটি।

দুর্ঘটনার পর সদরঘাটের একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও দেখে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ঘটনার যে ধরন, তাতে তার মনে হয়েছে এটা ‘পরিকল্পিত এবং হত্যাকাণ্ড।’

গত ৭ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম এটি হত্যাকাণ্ড এবং এখনও দেখলে আবারও বলব হত্যাকাণ্ড। যেহেতু অবহেলাজনিত কারণে দুর্ঘটনার অভিযোগ এনে একটি মামলা করা হয়েছে, তদন্তে যদি হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হয়, তাহলে সেটা অবশ্যই ৩০২ ধারায় (হত্যা মামলা) আসবে।”