🕓 সংবাদ শিরোনাম

কোনো প্রকৃত আলেমকে গ্রেফতার করা হয়নি : সংসদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীএসএসসি-এইচএসসিতে বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রীটাঙ্গাইলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীর ধর্ষকদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধনপরীমনি ভাগ্যবতী, ত্ব-হা’র পরিবারের সেই সৌভাগ্য হয়নি: সংসদে রুমিন ফারহানাচট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫৮ জনযাত্রাবাড়ী থেকে হেফাজত নেতা আজহারুল ইসলাম গ্রেফতারদালাল নির্মূলে মিটফোর্ড হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২৩সাইকেল চালিয়ে পদ্মা পাড়ি, পারেন প্লেন তৈরি করতেও!ত্রিশালের সাবেক এমপি এমএ হান্নান আর নেইনগদ টাকা ও ইয়াবা তৈরীর বিপুল পরিমাণ উপাদানসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

  • আজ মঙ্গলবার, ১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৫ জুন, ২০২১ ৷

পর্যায়ক্রমে সকল ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী বাঁধ প্রকল্প: পানি সম্পদ উপমন্ত্রী


❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, সারাদেশে নদী ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের নদী ভাঙনরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে নদী ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে আগামী পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে দেশের কোথাও নদী ভাঙন হবে না।

বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই ) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে যমুনা নদীতে ভাঙন কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করে শেষে উপ-মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে ডিসি এবং এসপি মহোদয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলে প্রায় ৬১০ কোটি টাকা ব্যায়ে ৫টি প্রকল্পের কাজ চলছে। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ ১.৫৩ কিলোমিটার এলাকায় ভরাটের কাজ হবে। এছাড়াও ভাঙনের ক্ষতিগ্রস্থ ৩৭টি পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (ঢাকা) আব্দুল মতিন, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কালিহাতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা নিপা ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে দ্বিতীয় নদী রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে শনিবার রাতে ২৯টি বাড়ী যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদী তীরবর্তী শত শত বাড়ি-ঘর ভেঙে গেছে এবং হুমকির মুখে রয়েছে।