সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৪শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

একটা কোরবানির পশুও আমদানি করবো না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

৫:১৯ অপরাহ্ণ | শনিবার, জুলাই ১১, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘কোরবানির জন্য যে পরিমাণ গবাদিপশুর সরবরাহ দরকার তা দেশেই রয়েছে। আমরা বিদেশ থেকে একটা পশুও আমদানি করবো না।’

শনিবার (১১ জুলাই) কোরবানির গবাদিপশু বিপণনের অনলাইন প্লাটফর্ম ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে অনুষ্ঠানে অনলাইনে সংযুক্ত হন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী রেজাউল করিম বলেন, আমাদের খামারিরা যা উৎপাদন করেছেন তা চাহিদার থেকে অনেক বেশি আছে। গত বছরও আমরা ভারত থেকে পশু আনিনি। তাতে কিন্তু আমরা বাজারে যা নিয়ে এসেছিলাম তার এক অংশ বিক্রি হয়নি। তাই এবার আমি চাইব স্বাস্থ্যসম্মতভাবে কোরবানি সম্পন্ন করতে। এই সময়োচিত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ঢাকা উত্তর সিটিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ। একই সঙ্গে যে সকল প্রক্রিয়ায় আমাদের সহযোগিতা দরকার আমরা সকল প্রক্রিয়ায় আপনাদের সঙ্গে থাকব।

মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পর্যাপ্ত গবাদিপশু সরবরাহ ও বিপণনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে কোরবানি করে পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গবাদিপশু বিপণন ও পরিবহন সমস্যা সমাধানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে হটলাইন স্থাপন করা হবে। একইসাথে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটে আনলাইনে একটি কোরবানির পশুর বুকিং দেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য মজুত রয়েছে। যার মধ্যে হৃষ্টপুষ্টকৃত গরু-মহিষের সংখ্যা ৪৫ লাখ ৩৮ হাজার এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার ও অন্যান্য ৪ হাজার ৫০০টি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশেনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

এছাড়াও যুক্ত ছিল সিপিডির সিনিয়র গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।

Skip to toolbar