সংবাদ শিরোনাম
‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বর্তমানে এক অনন্য উচ্চতায়’- এলজিআরডি মন্ত্রী | আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) | সরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালকের হাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লাঞ্ছিত! | চট্টগ্রামে সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার নিখোঁজ, থানায় জিডি | দেশের তথ্য দেশে রাখতে আইন করার কথা ভাবছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী পলক | জবিতে হাজী সেলিমের দখলে থাকা তিব্বত হল সহ সকল হল উদ্ধারের দাবি | ১৫ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, থানায় অভিযোগ! | মহানবী (সাঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে শেরপুরে মানববন্ধন | কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে যুবককে হত্যার পরে লাশ পুড়িয়ে দিলো জনতা! | বিশ্ব মুসলিম নেতাদের ইমরান খানের চিঠি |
  • আজ ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঘুমের ঔষধ খেয়ে যেভাবে ধ্বংস করছেন নিজের জীবন

১২:০৮ পূর্বাহ্ন | রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০ আপনার স্বাস্থ্য
pill

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ ঘুম আমাদের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অনেকে বেশি ঘুমতে ভালবাসেন, অনেকে অল্প সময়ের গভীর ঘুমেই সন্তুষ্ট। অনেকে আছেন বিছানায় শুলেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন, কেউ আবার ঘুমতে সময় নেন। সাধারনত একজন মানুষের ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিৎ। যখন আপনার ঘুম ক্রমাগত ভাবে কম হবে আপনি তখন হয়তো ঘুমের ঔষধ থাওয়া শুরু করবেন। কিন্তু আপনি জানেন কি এই ঘুমের ঔষধের ক্ষতিকারক দিক গুলো?

ঘুমের ঔষধ সেবন করতে হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু নিয়মিত ভাবে রোজ ঘুমের ওষুধ সেবন করলে অনেক রকম সমস্যা হতে পারে। যেমন-

তন্দ্রাচ্ছন্নতা

যদি ভুল সময়ে আপনি ঘুমের ওষুধ খান তাহলে আপনার শরীরে তা প্রভাব ফেলতে পারে। যদি আগের দিন রাতে আপনি ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরেও ভাল ঘুম না হয়, তার প্রভাব পরেরদিন বেলা অবধি থাকতে পারে। কিংবা অনেক রাতে ওষুধ খেলেও পরের দিন সকাল পর্যন্ত তার প্রভাব থাকতে পারে।

হ্যালোসিনেশন

ঘুমের ঔষধ একটি নেশা দ্রব্য মতই কাজ করে। ঘুমের ঔষধ গ্রহণকারীর হ্যালোসিনেশন সমস্যাগুলো দেখা দেয়। ঘুমের ওষুধের তালিকায় রয়েছে বহুল প্রচলিত নেশা দ্রব্যগুলো যা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।

ব্যবহারে পরিবর্তন

অনেক সময় ঘুমের ওষুধের নিয়মিত সেবন মানুষের আচার-ব্যবহারে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। মুড সুইং, খিটখিটে মেজাজ প্রভৃতি নানারকমের লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

নির্ভরশীলতা

নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেতে খেতে ওই ধরনের ওষুধে শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়, ফলে একটা সময়ের পর ওষুধ শরীরে কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়। তখন ওষুধের মাত্রা বাড়াতে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে এমনটা চলতে থাকলে তা সত্যিই শরীরের পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে খারাপ করে

দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেতে থাকলে তা শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকেও খারাপ করতে থাকে। শরীরের বর্জ্যও বিনা বাধায় শরীর থেকে বেরতে পারে না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে তা শরীরকে অসুস্থই করে।

নেশা

নিয়মিত ঘুমের ওষুধ খেতে খেতে ওষুধের প্রতি একটা আসক্তি তৈরি হয়। ওষুধ ছাড়া ঘুমই হতে চায় না। তাই ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কখনওই ঘুমের ওষুধ খাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

মৃত্যু

অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করলে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ঘুমের ঔষধ মানুষের হার্ট ও ব্রেনের রক্তনালীর রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। আবার অনেকসময় অতিরিক্তি ঘুমের ওষুধ খেলে প্যারালাইসিস হয়ে যেতে পারে। এমনকি অনেকে কোমায় চলে যেতে পারে সেই সাথে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।

অবসাদ

ঘুমের ওষুধের কারণে, কারও কারও ক্ষেত্রে, মানসিক রোগের সমস্যা, চণ্ডালে রাগ, হতাশার মতো সমস্যা বাড়তে পারে।