সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করতে সরকারের লোকজন বলছেন করোনা নিয়ন্ত্রণে: রিজভী | ‘গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসার রাজনৈতিক শক্তি হচ্ছে জাতীয় পার্টি’- জি এম কাদের | ‘বিএনপি সমালোচনা আর মিথ্যাচারের বৃত্তে আবর্তিত হচ্ছে’- কাদের | পুলিশের গুলিতে নিহত সিনহা রাশেদের মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন | চীনের ভ্যাকসিনের ফল সন্তোষজনক হলে স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর প্রয়োগ: স্বাস্থ্য সচিব | শিশুদের মসজিদে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো উজবেকিস্তান | মানিকগঞ্জে বন্যা দূর্গত এলাকায় নৌবাহিনীর খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান | মাগুরায় বাসচাপায় নিহত ১ | নবীগঞ্জের নতুন ইউএনও শেখ মহি উদ্দিন | বানভাসীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল |
  • আজ ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ শত শত টন বর্জ্য

৫:০৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, কক্সবাজার- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য, ছেঁড়া জাল ও জালের সঙ্গে সামুদ্রিক কাছিম। তবে এত বিপুল পরিমাণ জাল ও বর্জ্য কোথা থেকে আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দিকে ভেসে আসতে থাকে প্লাস্টিক বর্জ্য। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীরে ভেসে আসতে থাকে টন টন প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ছেঁড়া জাল। এসব জালে পেঁচানো অবস্থায় সামুদ্রিক কাছিমও ভেসে আসে সৈকতে। ইতোমধ্যে সেখান থেকে দশটির বেশি সামুদ্রিক কাছিম উদ্ধার করে সাগরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধার কাজে থাকা সেভ দ্যা ন্যাচর অব বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমেদ জানান, দড়িয়া নগর পার্ক থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শত শত টন হবে প্লাস্টিক বর্জ্য। যদিও এটা শুধু ধারণা করে বলা। শত শত মানুষ প্ল্যাস্টিক সংগ্রহ করছে। সঙ্গে আছে জাল, গাছের গুড়িসহ নানা বর্জ্য। আমরা কাছিমগুলোকে অবমুক্ত করছি। মূলত এদের রক্ষা করার জন্য আমরা স্পটে আছি। তবে প্রশাসনের কেউ নেই।

কক্সবাজারভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ দ্য নেচারের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম রিয়াদ বলেন, ‘শনিবার রাত থেকে এসব বর্জ্য আসতে শুরু করেছে। এর মধ্যে প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিক বর্জ্য আর ছেঁড়া জাল দেখা গেছে। আমরা কক্সবাজারে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কেউ এসব বর্জ্য সরিয়ে নিতে এগিয়ে আসেনি।’

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ) আবু নাছের মো. ইয়াছিন বলেন, ‘প্লাস্টিকসহ নানা ধরনের বর্জ্যে আটকা পড়েছে কাছিম। আমরা ঘটনাস্থলে একটা টিম পাঠিয়েছি। তারা কাছিমগুলোর চিকিৎসা নিশ্চিত করবে এবং সুস্থগুলোকে সাগরে ফিরিয়ে দেবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের সাগরে শক্ত মনিটরিং না থাকায় বিদেশি জাহাজ থেকে বর্জ্য ফেলা হয়। এর কারণে আমাদের সমুদ্রের যে বাস্তুসংস্থান সেটি ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব প্লাস্টিক মাইক্রো প্লাস্টিকে (প্লাস্টিক কণা) রূপান্তরিত হয়ে মাছের খাদ্য শৃংখলে প্রবেশ করে শেষ পর্যন্ত মানবদেহে চলে আসছে।’

Skip to toolbar